আমরা সরকারের সম্পৃক্তবাদী; বিচ্ছিন্নবাদী নয়: আপ্রুমং মারমা
- সর্বশেষ আপডেট ১২:২১:৫৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ১০ নভেম্বর ২০২৫
- / 45
পার্বত্য চট্টগ্রামে টিকে থাকতে হলে অধিকার প্রতিষ্ঠা জরুরি—এ জন্য সবাইকে হাতে হাত, কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন ইউপিডিএফ (গণতান্ত্রিক) কেন্দ্রীয় উপদেষ্টা আপ্রুমং মারমা। তিনি বলেন, “চুক্তির বাস্তবায়ন করতে হলে সরকারের পক্ষপাতিত্ব নয়, বরং সম্পৃক্ততা প্রয়োজন। বিচ্ছিন্ন থেকে কোনো সংগঠন এ চুক্তি বাস্তবায়ন করতে পারবে না।”
সোমবার (১০ নভেম্বর) সকালে শহরের রয়েল হোটেলের কনফারেন্স রুমে প্রতিষ্ঠাতা মানবেন্দ্র নারায়ণ লারমার ৪২তম প্রয়াত দিবস উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।
আপ্রুমং মারমা বলেন, “কেএনএফ, জেএসএস এবং প্রসীত গ্রুপ ইউপিডিএফসহ বিভিন্ন সংগঠন শান্তিচুক্তির বিরোধিতা করছে। অনেকেই নিজেদের নিয়ন্ত্রিত এলাকা বলে দাবি করছে—যা পাহাড়ে অশান্তি বাড়াচ্ছে। ইউপিডিএফ (গণতান্ত্রিক) হিসেবে আমরা চাই না পাহাড়ে নতুন করে অস্থিরতা সৃষ্টি হোক। আমাদের পতাকার নিচে এসে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে এবং শান্তিচুক্তির পূর্ণ বাস্তবায়নের জন্য কঠোর সংগ্রাম চালাতে হবে।”
ইউপিডিএফ সভাপতি রামতন সাং বম মালেক বলেন, “পার্বত্য চট্টগ্রামের প্রধান সমস্যা ভূমি বিরোধ। ভূমি কমিশন গঠন হলেও কোনো কার্যক্রম আমরা দেখতে পাইনি। ফলে পাহাড়ে ভূমি বিরোধ প্রতিনিয়ত বাড়ছে। কিছু মহল পাহাড়ি-বাঙালি সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা উসকে দেওয়ারও চেষ্টা করছে।”
নেতারা অভিযোগ করে বলেন, পাহাড়ে অশান্তির নেপথ্যে ইউপিডিএফের ভূমিকা রয়েছে। তাদের কারণেই সাধারণ মানুষ ও শিক্ষার্থীরা খুনের শিকার হচ্ছে এবং সংগঠনটি ক্রমেই বেপরোয়া হয়ে উঠছে। তবে তারা আশা প্রকাশ করেন যে, জনগণের সহযোগিতায় ভবিষ্যতেও পার্বত্য চট্টগ্রামের উন্নয়ন ও শান্তির জন্য কাজ করে যাবেন।
সভায় উপস্থিত ছিলেন ইউপিডিএফ (গণতান্ত্রিক) কেন্দ্রীয় সদস্য জ্যেতিজ চাকমা, জেলা সাবেক সাধারণ সম্পাদক জুয়েল ত্রিপুরা, সদস্য বিকাশ চাকমা, লামা উপজেলা সভাপতি মংসুই প্রু মারমা, পাহাড়ি ছাত্র পরিষদের সাবেক সাধারণ সম্পাদক বর্ষা তংচঙ্গ্যাসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।

































