ঢাকা ০৮:৩৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৬, ১১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

আবু সাঈদ হত্যা মামলায় ২৬ জনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • সর্বশেষ আপডেট ০২:৫৩:২৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩০ জুন ২০২৫
  • / 186

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-জনতার আন্দোলনের শহীদ আবু সাঈদ হত্যা মামলায় রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্যসহ ২৬ জনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২।

সোমবার (৩০ জুন) দুপুরে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ গঠনের পর ট্রাইব্যুনাল এই নির্দেশ দেয়। মামলার মোট ৩০ আসামির মধ্যে চারজন এরই মধ্যে গ্রেপ্তার হয়ে কারাগারে রয়েছেন। এরা হলেন: এসআই আমীর হোসেন, কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়, বিশ্ববিদ্যালয়ের তৎকালীন প্রক্টর শরীফুল ইসলাম ও ছাত্রলীগের তৎকালীন সাধারণ সম্পাদক এমরান চৌধুরী আকাশ।

বাকি পলাতক ২৬ জনের বিরুদ্ধেই এই পরোয়ানা জারি করা হয়েছে।

গত ১৫ জুন, শহীদ আবু সাঈদের হত্যাকাণ্ডের বিষয়ে তদন্ত শেষ করে ১৪ জুলাইয়ের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দিতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দিয়েছিল ট্রাইব্যুনাল।

বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের অংশ হিসেবে বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় চলমান বিক্ষোভের সময় পুলিশের গুলিতে নিহত হন আবু সাঈদ। এ ঘটনায় দেশজুড়ে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি হয় এবং এরই ধারাবাহিকতায় এই মামলার বিচারিক প্রক্রিয়া শুরু হয়।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

আবু সাঈদ হত্যা মামলায় ২৬ জনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা

সর্বশেষ আপডেট ০২:৫৩:২৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩০ জুন ২০২৫

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-জনতার আন্দোলনের শহীদ আবু সাঈদ হত্যা মামলায় রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্যসহ ২৬ জনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২।

সোমবার (৩০ জুন) দুপুরে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ গঠনের পর ট্রাইব্যুনাল এই নির্দেশ দেয়। মামলার মোট ৩০ আসামির মধ্যে চারজন এরই মধ্যে গ্রেপ্তার হয়ে কারাগারে রয়েছেন। এরা হলেন: এসআই আমীর হোসেন, কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়, বিশ্ববিদ্যালয়ের তৎকালীন প্রক্টর শরীফুল ইসলাম ও ছাত্রলীগের তৎকালীন সাধারণ সম্পাদক এমরান চৌধুরী আকাশ।

বাকি পলাতক ২৬ জনের বিরুদ্ধেই এই পরোয়ানা জারি করা হয়েছে।

গত ১৫ জুন, শহীদ আবু সাঈদের হত্যাকাণ্ডের বিষয়ে তদন্ত শেষ করে ১৪ জুলাইয়ের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দিতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দিয়েছিল ট্রাইব্যুনাল।

বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের অংশ হিসেবে বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় চলমান বিক্ষোভের সময় পুলিশের গুলিতে নিহত হন আবু সাঈদ। এ ঘটনায় দেশজুড়ে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি হয় এবং এরই ধারাবাহিকতায় এই মামলার বিচারিক প্রক্রিয়া শুরু হয়।