ঢাকা ০৯:৫৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৬, ১১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

আবারও বাড়ছে জ্বালানি তেলের দাম

নিউজ ডেস্ক
  • সর্বশেষ আপডেট ০৩:২৪:৪৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ১ ডিসেম্বর ২০২৫
  • / 59

আবারও বাড়ছে জ্বালানি তেলের দাম

বিশ্ববাজারে আবারও বাড়ছে জ্বালানি তেলের দাম। সোমবার (১ ডিসেম্বর) ব্রেন্ট ক্রুডের মূল্য ব্যারেলপ্রতি ১.০১ ডলার বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৬৩.৩৯ ডলারে। যুক্তরাষ্ট্রের ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট (ডব্লিউটিআই) জ্বালানি তেলের দাম বেড়ে হয়েছে ৫৯.৫৫ ডলার।

দামের এই উত্থানের কারণ হিসেবে বিশেষজ্ঞরা কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা উল্লেখ করেছেন। প্রথমত, ওপেক প্লাস সদস্যরা উৎপাদন অপরিবর্তিত রাখার সিদ্ধান্ত পুনর্ব্যক্ত করেছে। এতে সরবরাহ হঠাৎ বেড়ে যাওয়ার ঝুঁকি কমেছে। দ্বিতীয়ত, কাস্পিয়ান পাইপলাইন কনসোর্টিয়াম একটি বড় ড্রোন হামলার পর রপ্তানি বন্ধ করে দিয়েছে। এ পাইপলাইনটি বিশ্বের মোট জ্বালানি সরবরাহের প্রায় ১ শতাংশ পরিচালনা করে।

এদিকে যুক্তরাষ্ট্র ও ভেনেজুয়েলার মধ্যে উত্তেজনা নতুন করে বিশ্ববাজারে অনিশ্চয়তা তৈরি করেছে। যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প শনিবার ঘোষণা করেন, ভেনেজুয়েলার আকাশসীমা ‘বন্ধ’ হিসেবে বিবেচনা করা উচিত। এতে ভবিষ্যতে সামরিক উত্তেজনা বা নিষেধাজ্ঞার ঝুঁকি নিয়ে বাজারে আলোচনা শুরু হয়েছে। যদিও পরে তিনি বলেন, এ নিয়ে অতিভাবনার কোনো প্রয়োজন নেই।

ইউক্রেনও রাশিয়ার জ্বালানি স্থাপনায় হামলা জোরদার করেছে। রাশিয়ার ব্ল্যাক সি অঞ্চলের একটি টার্মিনালে ড্রোন হামলায় পাইপলাইনের কার্যক্রম বন্ধ হয়ে গেছে। পাশাপাশি ইউক্রেন জানিয়েছে, তারা রোস্তভ অঞ্চলে রাশিয়ার একটি তেল শোধনাগার ও সামরিক বিমান কারখানায় আঘাত হেনেছে।

ইউরোপেও অনিশ্চয়তা বাড়ছে। রাশিয়া–ইউক্রেন শান্তি চুক্তি নিয়ে আশাবাদ কমে যাওয়ায় বাজারে আবারও সরবরাহ সংকটের আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

সব মিলিয়ে বিশ্বজুড়ে ভূরাজনৈতিক উত্তেজনা এবং সরবরাহ বিঘ্নিত হওয়ার শঙ্কায় জ্বালানি তেলের দাম আবারও ঊর্ধ্বমুখী।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

আবারও বাড়ছে জ্বালানি তেলের দাম

সর্বশেষ আপডেট ০৩:২৪:৪৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ১ ডিসেম্বর ২০২৫

বিশ্ববাজারে আবারও বাড়ছে জ্বালানি তেলের দাম। সোমবার (১ ডিসেম্বর) ব্রেন্ট ক্রুডের মূল্য ব্যারেলপ্রতি ১.০১ ডলার বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৬৩.৩৯ ডলারে। যুক্তরাষ্ট্রের ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট (ডব্লিউটিআই) জ্বালানি তেলের দাম বেড়ে হয়েছে ৫৯.৫৫ ডলার।

দামের এই উত্থানের কারণ হিসেবে বিশেষজ্ঞরা কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা উল্লেখ করেছেন। প্রথমত, ওপেক প্লাস সদস্যরা উৎপাদন অপরিবর্তিত রাখার সিদ্ধান্ত পুনর্ব্যক্ত করেছে। এতে সরবরাহ হঠাৎ বেড়ে যাওয়ার ঝুঁকি কমেছে। দ্বিতীয়ত, কাস্পিয়ান পাইপলাইন কনসোর্টিয়াম একটি বড় ড্রোন হামলার পর রপ্তানি বন্ধ করে দিয়েছে। এ পাইপলাইনটি বিশ্বের মোট জ্বালানি সরবরাহের প্রায় ১ শতাংশ পরিচালনা করে।

এদিকে যুক্তরাষ্ট্র ও ভেনেজুয়েলার মধ্যে উত্তেজনা নতুন করে বিশ্ববাজারে অনিশ্চয়তা তৈরি করেছে। যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প শনিবার ঘোষণা করেন, ভেনেজুয়েলার আকাশসীমা ‘বন্ধ’ হিসেবে বিবেচনা করা উচিত। এতে ভবিষ্যতে সামরিক উত্তেজনা বা নিষেধাজ্ঞার ঝুঁকি নিয়ে বাজারে আলোচনা শুরু হয়েছে। যদিও পরে তিনি বলেন, এ নিয়ে অতিভাবনার কোনো প্রয়োজন নেই।

ইউক্রেনও রাশিয়ার জ্বালানি স্থাপনায় হামলা জোরদার করেছে। রাশিয়ার ব্ল্যাক সি অঞ্চলের একটি টার্মিনালে ড্রোন হামলায় পাইপলাইনের কার্যক্রম বন্ধ হয়ে গেছে। পাশাপাশি ইউক্রেন জানিয়েছে, তারা রোস্তভ অঞ্চলে রাশিয়ার একটি তেল শোধনাগার ও সামরিক বিমান কারখানায় আঘাত হেনেছে।

ইউরোপেও অনিশ্চয়তা বাড়ছে। রাশিয়া–ইউক্রেন শান্তি চুক্তি নিয়ে আশাবাদ কমে যাওয়ায় বাজারে আবারও সরবরাহ সংকটের আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

সব মিলিয়ে বিশ্বজুড়ে ভূরাজনৈতিক উত্তেজনা এবং সরবরাহ বিঘ্নিত হওয়ার শঙ্কায় জ্বালানি তেলের দাম আবারও ঊর্ধ্বমুখী।