আবারও আসিফ নজরুলের দুঃখ প্রকাশ
- সর্বশেষ আপডেট ১১:৩৮:০৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৮ অগাস্ট ২০২৫
- / 152
আবারও নিজের দেয়া বক্তব্যের জন্য দুঃখ প্রকাশ করে একটি ব্যাখ্যা দিয়েছেন আইন উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুল। রোববার (১৭ আগস্ট) রাতে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে ‘ডাক্তার প্রসঙ্গ’ শিরোনামে একটি পোস্ট করেছেন তিনি।
আসিফ নজরুল বলেন, গতকাল একটি অনুষ্ঠানে ডাক্তারদের সম্পর্কে আমি কিছু কথা বলেছিলাম। প্রথমে রোগী হিসেবে আমার ভালো অভিজ্ঞতার কথা বলেছি। তারপর অন্যদের অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে জানা কিছু সমালোচনার কথা বলেছি। সেখানে আমি বলেছি, এই সমালোচনাগুলো সব ডাক্তারদের জন্য প্রযোজ্য না। বলেছি, অনেক ডাক্তার আছেন ভালো, কিন্তু অন্য অনেকের বিরুদ্ধে অভিযোগও আছে। কিছু অভিযোগ স্টেটমেন্ট আকারে বলেছি, কিছু প্রশ্ন আকারে।
আইন উপদেষ্টা বলেন, পত্রপত্রিকা যখন এগুলো ছাপিয়েছে তখন আমার সম্পূর্ণ বক্তব্য তুলে ধরেনি। ফলে কারো কাছে মনে হতে পারে যে রোগীর কথা মন দিয়ে না শোনা, বেশী টেস্ট করতে দেয়া বা ওষুধ কোম্পানির সঙ্গে যোগাযোগ আমি এসব অভিযোগ ঢালাওভাবে সব ডাক্তারদের সম্পর্কে করেছি। কিন্তু এটি ঠিক নয়। আমি দ্ব্যর্থহীনভাবে জানাচ্ছি, আমার এসব অভিযোগ একশ্রেণীর ডাক্তারদের বিরুদ্ধে, সব ডাক্তারদের বিরুদ্ধে না।
তিনি বলেন, আমার বক্তব্য যেভাবে কিছু পত্রিকায় ছাপানো হয়েছে, মনে হতে পারে অভিযোগগুলো সবার উদ্দেশ্যে করা। প্রচণ্ড ত্যাগ, সততা আর দক্ষতা নিয়ে এদেশের যে বিপুল সংখ্যক ডাক্তার রোগীদের সেবা করেন, তাদের কাছে এটি গভীর মনোবেদনার কারণ হতে পারে। এমন ডাক্তার ভাই-বোনদের কাছে আমি এজন্য দু:খ প্রকাশ করছি। তবে কিছু কিছু ডাক্তারের (তারা সংখ্যায় কম হতে পারেন) ক্ষেত্রে এসব অভিযোগ সত্যি কিনা তা বিবেচনা করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করার অনুরোধও তাদের কাছে করছি।
এদিকে, আইন উপদেষ্টা ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক আসিফ নজরুল ২৯ জুলাই দুপুরে এক আলোচনা সভায় দেওয়া বক্তব্যে বলেন, “শেখ হাসিনা ও তার দোসররা যে অপরাধ করেছে, ১৯৭১ সালে পাকিস্তানি সেনাবাহিনীও মনে হয় এত জঘন্য অপরাধ করে নাই।” তার এ বক্তব্য সামাজিক মাধ্যমে তীব্র প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি করে।
বিকেলে এই প্রতিক্রিয়ার মুখে নিজের অবস্থান থেকে সরে আসেন অধ্যাপক নজরুল। ওইদিন সন্ধ্যা ৭টা ৩১ মিনিটে নিজের ফেসবুক প্রোফাইলে দেওয়া এক পোস্টে তিনি লেখেন, “শেখ হাসিনার নৃশংসতার সাথে পাকিস্তানি বাহিনীর নৃশংসতার তুলনা করা ঠিক হয়নি।”
নিজের আগের বক্তব্যে কেউ যদি মনে করে থাকেন তিনি ১৯৭১ সালের পাকিস্তানি বাহিনীর হত্যাযজ্ঞকে ছোট করে দেখেছেন, তাদের কাছে দুঃখ প্রকাশ করেন তিনি।
































