ঢাকা ০৫:৩৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৬, ১১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

আধাডজন গোল খেয়ে নেইমারের কান্না

ক্রীড়া ডেস্ক
  • সর্বশেষ আপডেট ১১:৫৪:৩৯ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৮ অগাস্ট ২০২৫
  • / 96

আধাডজন গোল খেয়ে নেইমারের কান্না

সাও পাওলোর এস্তাদিও দো মোরুম্বিতে সান্তোস ভাস্কো দা গামার মুখোমুখি হয়েছিল। সেই ম্যাচ শেষ হতেই অস্বস্তিকর দৃশ্যের জন্ম দিলো। ৬-০ গোলের বড় হারের পর মাঠেই ভেঙে পড়লেন নেইমার। হাঁটু গেড়ে বসে কাঁদতে কাঁদতে মুখ লুকোনোর চেষ্টা করলেও চোখের জল আটকাতে পারেননি তিনি।

প্রথমে সতীর্থরা এগিয়ে এসে তাঁকে উঠাতে চাইলে সাড়া দেননি। পরে নিজেই দাঁড়ালেও কান্না থামেনি। সাইডলাইনে যাওয়ার আগে কোচিং স্টাফের এক সদস্যকে জড়িয়ে ধরে আবারও অশ্রু বিসর্জন দেন ব্রাজিলিয়ান তারকা। জার্সি দিয়ে মুখ ঢাকার চেষ্টা, হাত দিয়ে চোখ মোছা; সব মিলিয়ে দর্শকদের সামনে এক হতাশ নেইমারকেই দেখা গেছে।

সান্তোসের এই বড় হার সঙ্গে সঙ্গেই প্রভাব ফেলেছে কোচের ওপরও। ক্লাব কর্তৃপক্ষ ম্যাচ শেষে কোচ ক্লেবের শাভিয়েরকে বরখাস্ত করেছে।

অন্যদিকে ভাস্কো দা গামার হয়ে উজ্জ্বল দিন কাটালেন ফিলিপে কুতিনিও। সদ্য ক্লাবে যোগ দেওয়া এই ফুটবলার করেন দুটি গোল। দলের হয়ে আরও একটি করে গোল করেছেন লুকাস পিতোন, দাভিদ কোরোয়া দে ফনসেকা, রায়ান এবং দানিলো নেভেস।

এ জয়ে ভাস্কো ১৮ ম্যাচে ১৯ পয়েন্ট নিয়ে অবনমন অঞ্চলের ঠিক ওপরের স্থানে (১৬তম) উঠে আসে। সান্তোস আছে এক ধাপ ওপরে; ১৯ ম্যাচে ২১ পয়েন্ট নিয়ে ১৫তম স্থানে।

ক্যারিয়ারে এত বড় ব্যবধানে হারেননি নেইমার। ম্যাচ শেষে হতাশ কণ্ঠে তিনি বলেন, “আমি লজ্জিত। আমাদের পারফরম্যান্স একেবারেই অগ্রহণযোগ্য। সমর্থকেরা আমাদের সমালোচনা বা প্রতিবাদ করতেই পারেন, কিন্তু সেটা সহিংসতার মাধ্যমে হওয়া উচিত নয়।”

নিজের কান্নার প্রসঙ্গে নেইমারের স্বীকারোক্তি, “এটা ছিল ভীষণ অপমানের অভিজ্ঞতা। এর আগে কখনো এমন পরিস্থিতির মুখোমুখি হইনি। কান্না এসেছে রাগ আর হতাশা থেকে। খেলার সব দিকেই আমি দলকে সাহায্য করতে ব্যর্থ হয়েছি। সত্যি বলতে, আজ সবকিছুই ভয়াবহ ছিল।”

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

আধাডজন গোল খেয়ে নেইমারের কান্না

সর্বশেষ আপডেট ১১:৫৪:৩৯ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৮ অগাস্ট ২০২৫

সাও পাওলোর এস্তাদিও দো মোরুম্বিতে সান্তোস ভাস্কো দা গামার মুখোমুখি হয়েছিল। সেই ম্যাচ শেষ হতেই অস্বস্তিকর দৃশ্যের জন্ম দিলো। ৬-০ গোলের বড় হারের পর মাঠেই ভেঙে পড়লেন নেইমার। হাঁটু গেড়ে বসে কাঁদতে কাঁদতে মুখ লুকোনোর চেষ্টা করলেও চোখের জল আটকাতে পারেননি তিনি।

প্রথমে সতীর্থরা এগিয়ে এসে তাঁকে উঠাতে চাইলে সাড়া দেননি। পরে নিজেই দাঁড়ালেও কান্না থামেনি। সাইডলাইনে যাওয়ার আগে কোচিং স্টাফের এক সদস্যকে জড়িয়ে ধরে আবারও অশ্রু বিসর্জন দেন ব্রাজিলিয়ান তারকা। জার্সি দিয়ে মুখ ঢাকার চেষ্টা, হাত দিয়ে চোখ মোছা; সব মিলিয়ে দর্শকদের সামনে এক হতাশ নেইমারকেই দেখা গেছে।

সান্তোসের এই বড় হার সঙ্গে সঙ্গেই প্রভাব ফেলেছে কোচের ওপরও। ক্লাব কর্তৃপক্ষ ম্যাচ শেষে কোচ ক্লেবের শাভিয়েরকে বরখাস্ত করেছে।

অন্যদিকে ভাস্কো দা গামার হয়ে উজ্জ্বল দিন কাটালেন ফিলিপে কুতিনিও। সদ্য ক্লাবে যোগ দেওয়া এই ফুটবলার করেন দুটি গোল। দলের হয়ে আরও একটি করে গোল করেছেন লুকাস পিতোন, দাভিদ কোরোয়া দে ফনসেকা, রায়ান এবং দানিলো নেভেস।

এ জয়ে ভাস্কো ১৮ ম্যাচে ১৯ পয়েন্ট নিয়ে অবনমন অঞ্চলের ঠিক ওপরের স্থানে (১৬তম) উঠে আসে। সান্তোস আছে এক ধাপ ওপরে; ১৯ ম্যাচে ২১ পয়েন্ট নিয়ে ১৫তম স্থানে।

ক্যারিয়ারে এত বড় ব্যবধানে হারেননি নেইমার। ম্যাচ শেষে হতাশ কণ্ঠে তিনি বলেন, “আমি লজ্জিত। আমাদের পারফরম্যান্স একেবারেই অগ্রহণযোগ্য। সমর্থকেরা আমাদের সমালোচনা বা প্রতিবাদ করতেই পারেন, কিন্তু সেটা সহিংসতার মাধ্যমে হওয়া উচিত নয়।”

নিজের কান্নার প্রসঙ্গে নেইমারের স্বীকারোক্তি, “এটা ছিল ভীষণ অপমানের অভিজ্ঞতা। এর আগে কখনো এমন পরিস্থিতির মুখোমুখি হইনি। কান্না এসেছে রাগ আর হতাশা থেকে। খেলার সব দিকেই আমি দলকে সাহায্য করতে ব্যর্থ হয়েছি। সত্যি বলতে, আজ সবকিছুই ভয়াবহ ছিল।”