ঢাকা ০১:৪৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২৬, ১১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

আত্মসমর্পণকারী সেনা কর্মকর্তারা নির্দোষ: আইনজীবী

নিজস্ব প্রতিবদেক
  • সর্বশেষ আপডেট ০৩:১০:৪৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ অক্টোবর ২০২৫
  • / 126

আত্মসমর্পণকারী ১৫ সেনা কর্মকর্তাদের নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। ছবি: সংগৃহীত

মানবতাবিরোধী অপরাধের তিন মামলায় আত্মসমর্পণকারী ১৫ সেনা কর্মকর্তা নির্দোষ দাবি করেছেন তাঁদের আইনজীবী এম সরোয়ার হোসেন। তাঁর দাবি, প্রকৃত অপরাধীরা ইতিমধ্যে ভারতে পালিয়ে গেছেন। বুধবার (২২ অক্টোবর) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে শুনানি শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে আইনজীবী সরোয়ার হোসেন এ তথ্য জানান।

তিনি বলেন, ‘১৫ কর্মকর্তা আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হয়ে স্বেচ্ছায় আত্মসমর্পণ করেছেন। তাঁরা সবাই অভিজ্ঞ ও সিনিয়র অফিসার, কেউ কেউ আন্তর্জাতিক বাহিনীতেও কাজ করেছেন। তাঁরা আদালতের মাধ্যমে ন্যায়বিচার আশা করছেন। ট্রাইব্যুনাল তাঁদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিলে সেনা কর্মকর্তাদের ঢাকা সেনানিবাসের সাবজেলে নেওয়া হয়।’

প্রসিকিউশন দাবি করেছিল, এই কর্মকর্তাদের গ্রেপ্তার করে আদালতে হাজির করা হয়েছে। তবে প্রতিরক্ষা আইনজীবীর দাবি, তাঁরা স্বেচ্ছায় পুলিশের মাধ্যমে আত্মসমর্পণ করেছেন, গ্রেপ্তার হননি।

আইনজীবী সরোয়ার হোসেন বলেন, ‘এই অফিসাররা আত্মবিশ্বাসী ও নির্দোষ। যাঁরা প্রকৃত অপরাধী, তাঁরা ইতিমধ্যে পার্শ্ববর্তী দেশ ভারতে পালিয়ে গেছেন।’

এই ১৫ কর্মকর্তার মধ্যে রয়েছেন- মেজর জেনারেল শেখ মো. সরওয়ার হোসেন, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. জাহাঙ্গীর আলম, তোফায়েল মোস্তফা সারোয়ার, কামরুল হাসান, মাহাবুব আলম, মাহবুবুর রহমান সিদ্দিকী, আহমেদ তানভির মাজাহার সিদ্দিকী, কে এম আজাদ, কর্নেল আবদুল্লাহ আল মোমেন, কর্নেল আনোয়ার লতিফ খান (অবসরে), লেফটেন্যান্ট কর্নেল মশিউর রহমান, সাইফুল ইসলাম সুমন, সারওয়ার বিন কাশেম, রেদোয়ানুল ইসলাম ও মেজর রাফাত-বিন-আলম।

গত ৮ অক্টোবর গুম-নির্যাতন ও জুলাইয়ের গণ-অভ্যুত্থানের সময় হত্যার ঘটনায় দায়ের করা তিন মামলায় ২৫ জন সাবেক ও বর্তমান সেনা কর্মকর্তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করে ট্রাইব্যুনাল। সেদিনই প্রসিকিউশন ফরমাল চার্জ দাখিল করে। পরে ১১ অক্টোবর সেনাবাহিনী জানায়, ১৫ কর্মকর্তাকে হেফাজতে নেওয়া হয়েছে।

এই মামলাগুলোয় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, তাঁর সরকারের সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান, সাবেক আইজিপি চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুনসহ কয়েকজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা আসামি হিসেবে আছেন। এর মধ্যে আল-মামুন গ্রেপ্তার হয়ে কারাগারে রয়েছেন।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

আত্মসমর্পণকারী সেনা কর্মকর্তারা নির্দোষ: আইনজীবী

সর্বশেষ আপডেট ০৩:১০:৪৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ অক্টোবর ২০২৫

মানবতাবিরোধী অপরাধের তিন মামলায় আত্মসমর্পণকারী ১৫ সেনা কর্মকর্তা নির্দোষ দাবি করেছেন তাঁদের আইনজীবী এম সরোয়ার হোসেন। তাঁর দাবি, প্রকৃত অপরাধীরা ইতিমধ্যে ভারতে পালিয়ে গেছেন। বুধবার (২২ অক্টোবর) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে শুনানি শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে আইনজীবী সরোয়ার হোসেন এ তথ্য জানান।

তিনি বলেন, ‘১৫ কর্মকর্তা আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হয়ে স্বেচ্ছায় আত্মসমর্পণ করেছেন। তাঁরা সবাই অভিজ্ঞ ও সিনিয়র অফিসার, কেউ কেউ আন্তর্জাতিক বাহিনীতেও কাজ করেছেন। তাঁরা আদালতের মাধ্যমে ন্যায়বিচার আশা করছেন। ট্রাইব্যুনাল তাঁদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিলে সেনা কর্মকর্তাদের ঢাকা সেনানিবাসের সাবজেলে নেওয়া হয়।’

প্রসিকিউশন দাবি করেছিল, এই কর্মকর্তাদের গ্রেপ্তার করে আদালতে হাজির করা হয়েছে। তবে প্রতিরক্ষা আইনজীবীর দাবি, তাঁরা স্বেচ্ছায় পুলিশের মাধ্যমে আত্মসমর্পণ করেছেন, গ্রেপ্তার হননি।

আইনজীবী সরোয়ার হোসেন বলেন, ‘এই অফিসাররা আত্মবিশ্বাসী ও নির্দোষ। যাঁরা প্রকৃত অপরাধী, তাঁরা ইতিমধ্যে পার্শ্ববর্তী দেশ ভারতে পালিয়ে গেছেন।’

এই ১৫ কর্মকর্তার মধ্যে রয়েছেন- মেজর জেনারেল শেখ মো. সরওয়ার হোসেন, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. জাহাঙ্গীর আলম, তোফায়েল মোস্তফা সারোয়ার, কামরুল হাসান, মাহাবুব আলম, মাহবুবুর রহমান সিদ্দিকী, আহমেদ তানভির মাজাহার সিদ্দিকী, কে এম আজাদ, কর্নেল আবদুল্লাহ আল মোমেন, কর্নেল আনোয়ার লতিফ খান (অবসরে), লেফটেন্যান্ট কর্নেল মশিউর রহমান, সাইফুল ইসলাম সুমন, সারওয়ার বিন কাশেম, রেদোয়ানুল ইসলাম ও মেজর রাফাত-বিন-আলম।

গত ৮ অক্টোবর গুম-নির্যাতন ও জুলাইয়ের গণ-অভ্যুত্থানের সময় হত্যার ঘটনায় দায়ের করা তিন মামলায় ২৫ জন সাবেক ও বর্তমান সেনা কর্মকর্তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করে ট্রাইব্যুনাল। সেদিনই প্রসিকিউশন ফরমাল চার্জ দাখিল করে। পরে ১১ অক্টোবর সেনাবাহিনী জানায়, ১৫ কর্মকর্তাকে হেফাজতে নেওয়া হয়েছে।

এই মামলাগুলোয় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, তাঁর সরকারের সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান, সাবেক আইজিপি চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুনসহ কয়েকজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা আসামি হিসেবে আছেন। এর মধ্যে আল-মামুন গ্রেপ্তার হয়ে কারাগারে রয়েছেন।