ঢাকা ০৬:১৩ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৬, ১১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
রোহিঙ্গা ঢলের আট বছর আজ

আট বছরে রোহিঙ্গা ক্যাম্পে ৩’শ খুন

মোহাম্মদ ইউনুছ অভি, টেকনাফ (কক্সবাজার)
  • সর্বশেষ আপডেট ০১:২৮:৩০ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৫
  • / 183

রোহিঙ্গা ক্যাম্প

আট বছর আগে যখন রোহিঙ্গাদের ঢল বাংলাদেশে প্রবেশ করে; তখন সারাদেশের মানুষ তাদের উষ্ণ অভ্যর্থনা জানান। কিন্তু সময়ের পরিক্রমায় সেই ভ্রাতৃত্ববোধ ফিকে হয়ে গেছে। বিশাল এই জনগোষ্ঠী এখন শান্ত সাগড় পাড়ের অশান্তির কারন হয়ে দাঁড়িয়েছে।

 

স্থানীয় আইন-শৃঙ্খলাবাহিনীর প্রতিবেদন বলছে, রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর বড় একটি অংশ নানা অপরাধের সাথে নিজেদের জড়িয়ে ফেলেছেন। কেবলমাত্র চলতি বছরের আট মাসে অন্তত ১০ ধরনের অপরাধে জড়িয়েছে তারা। এর বিপরীতে ২৫০টি মামলা হয়েছে। যেখানে খুনের ঘটনায় মামলা হয়েছে ১৮টি। সবচেয়ে বেশি মামলা হয়েছে মাদক ও অপহরণ সংশ্লিষ্ট। মাদকের মামলা ১৫০টি। একই সঙ্গে অপহরণের ৫০টি, ধর্ষণের ১২টি।

 

২০১৭ সালের ২৫ আগস্ট মিয়ানমার থেকে বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গাদের ঢল নামে কক্সবাজার সীমান্তে। পরবর্তী কয়েক মাস অন্তত আট লাখ রোহিঙ্গা রাখাইন রাজ্যে ছেড়ে বাংলাদেশে পালিয়ে আসে। উখিয়া ও টেকনাফের ৩৩টি আশ্রয়শিবিরে তারা আশ্রয় নেয়। তাদের কয়েক হাজার আশ্রয় নিয়েছে ভাসানচরে।

 

এর আগেও কয়েক দশকে অন্তত ৩ লাখ রোহিঙ্গা বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছিল। এ ছাড়া প্রতি বছর ক্যাম্পে গড়ে ৩০ হাজার রোহিঙ্গা শিশুর জন্ম হচ্ছে। সব মিলিয়ে ১২ লাখের বেশি রোহিঙ্গা এখন বাংলাদেশে।

 

উখিয়ায় ইয়াবাসহ আটক রোহিঙ্গা নাগরিক। (ফাইল ফটো)
উখিয়ায় ইয়াবাসহ আটক রোহিঙ্গা নাগরিক। (ফাইল ফটো)

জাতিসংঘের শরণার্থীবিষয়ক সংস্থা ইউএনএইচসিআর- এর তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪ সালের জানুয়ারি থেকে গত জুন পর্যন্ত দেড় লাখ রোহিঙ্গা সীমান্ত পেরিয়ে বাংলাদেশে অনুপ্রবেশ করেছে। কক্সবাজারে রোহিঙ্গা আশ্রয় শিবিরগুলোতে এসব রোহিঙ্গা আশ্রয় নিয়েছে।

 

তাদের মধ্যে জুন পর্যন্ত নিবন্ধিত হয়েছে এক লাখ ২১ হাজার। অন্যরা নিবন্ধন ছাড়াই আশ্রয়শিবিরগুলোতে বসবাস করছে।

 

আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর বলছে, রোহিঙ্গারা আগে টেকনাফের নোয়াপাড়া ও উখিয়ার কুতুপালংয়ে শরণার্থী শিবিরের মধ্যে সীমাবদ্ধ ছিলো। ক্রমান্বয়ে তারা এখন কক্সবাজার সদর, কুতুবদিয়া, চকরিয়া, মহেশখালী, রামু, উখিয়ার বালুখালি, টেকনাফের লেদা ও পেকুয়া; অর্থাৎ সবকটি উপজেলায় ছড়িয়ে পড়েছে।

 

এছাড়া বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়িতেও ৩০ হাজারের বেশি, বান্দরবান সদরেও প্রায় সাড়ে ৪ লাখ রোহিঙ্গা ছড়িয়ে পড়েছে। আইন-শৃঙ্খলাবাহিনীর অভিযানে এসব জায়গা থেকে নিয়মিত রোহিঙ্গা আটকও হচ্ছে।

 

প্রথম দিকে ক্যাম্পগুলোতে আন্তর্জাতিক বিভিন্ন সংস্থা ও দেশের আইন-শৃঙ্খলাবাহিনী বেশ তৎপর ছিলেন। কিন্তু সময়ের সাথে সাথে সেখানে নজরদারি কমতে থাকে। কমতে থাকে সাহায্যের পরিমান।

 

ক্যাম্পগুলোতে অপরাধের মূলে রয়েছে নিজেদের মধ্যে দ্বন্দ্ব- এমনটাই মনে করছেন কক্সবাজার জেলা পুলিশের মিডিয়া কর্মকর্তা ও অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ট্রাফিক) মো. জসীম উদ্দিন চৌধুরী। পুলিশের এই কর্মকর্তা বাংলা অ্যাফেয়ার্সকে বলেন, মূলত অধিকাংশ প্রাণহানির ঘটনার পেছনে রয়েছে আধিপত্য বিস্তারের দ্বন্ধ। এর বাইরে মাদক কারবারে জড়িত একটি বিশাল অংশ।

 

টেকনাফ সদর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জিয়াউর রহমান জিহাদ বাংলা অ্যাফেয়ার্সকে বলেন, ‘ক্যাম্প ঘিরে ব্যাপক ষড়যন্ত্র চলছে। বাংলাদেশকে যারা ব্যর্থ রাষ্ট্রে পরিণত করতে চায়, তারা রোহিঙ্গাদের টার্গেট করে এসব ঘটনাগুলো করাচ্ছে।

 

রোহিঙ্গাদের সম্প্রতিক কর্মকান্ড আমাদের এই অঞ্চলের জন্য খুবই উদ্বেগের। আমরা দীর্ঘদিন ধরে বলে আসছিলাম রোহিঙ্গা ক্যাম্পগুলোতে নজরদারি বাড়ানোর জন্য এবং সেখানে যৌথ অভিযান চালানোর জন্য।’– যোগ করেন স্থানীয় এই জনপ্রতিনিধি।

 

পুলিশের প্রতিবেদন অনুযায়ি, গত আট বছরে কক্সবাজারের উখিয়া ও টেকনাফের বিভিন্ন আশ্রয় শিবিরে খুন হয়েছেন ৩’শ রোহিঙ্গা নাগরিক। এসব ঘটনায় ২৮৭টি মামলা হয়েছে। এসব খুনের সাথে রোহিঙ্গাদের অন্য একটি অংশ জড়িত।

 

স্থানীয়রা বলছেন, তাঁরা শুধু আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে চিন্তিত নন। তাঁদের ক্ষোভ আছে আরও নানা বিষয়ে। এখন পর্যন্ত কক্সবাজার জেলায় রোহিঙ্গা শরণার্থীর সংখ্যা কত, সে সম্পর্কে সুনির্দিষ্ট কিছু জানা যাচ্ছে না। ধারণা করা হয়, এই সংখ্যা ১৫ থেকে ১৬ লাখ। তার বিপরীতে স্থানীয়দের সংখ্যা৬-৭ লাখ হবে।

 

কক্সবাজারের রোহিঙ্গা নেতা মো. জোবায়ের জানান, সাম্প্রতিক সময়ে ক্যাম্পগুলোতে হত্যার ঘটনা একটু কমলেও মাদক, অপহরণ ও ধর্ষনের মতো ঘটনা অব্যাহত আছে। এর ফলে ক্যাম্পের সাধারণ বাসিন্ধারা ভয়-ভীতির মধ্য রয়েছে।

এই রোহিঙ্গা নেতা বলেন, ‘এসব সমস্যার সমাধানের একমাত্র পথ হচ্ছে প্রত্যাবাসন ‘

 

গত ১৪ মার্চ জাতিসংঘের মহাসচিবের উপস্থিতিতে ক্যাম্পে আয়োজন করা রোহিঙ্গাদের এক সমাবেশে অন্তবর্তীকালিন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেছিলেন, এই ঈদ না হোক, আগামী ঈদে রোহিঙ্গারা নিজ দেশে ঈদ করতে পারবেন। উপদেষ্টার এমন প্রত্যাশা বাণী স্বস্তি এনেছিল সবার মাঝে। কিন্তু অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টার এই প্রত্যাশা আর বাস্তবায়ন হয়নি।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

রোহিঙ্গা ঢলের আট বছর আজ

আট বছরে রোহিঙ্গা ক্যাম্পে ৩’শ খুন

সর্বশেষ আপডেট ০১:২৮:৩০ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৫

আট বছর আগে যখন রোহিঙ্গাদের ঢল বাংলাদেশে প্রবেশ করে; তখন সারাদেশের মানুষ তাদের উষ্ণ অভ্যর্থনা জানান। কিন্তু সময়ের পরিক্রমায় সেই ভ্রাতৃত্ববোধ ফিকে হয়ে গেছে। বিশাল এই জনগোষ্ঠী এখন শান্ত সাগড় পাড়ের অশান্তির কারন হয়ে দাঁড়িয়েছে।

 

স্থানীয় আইন-শৃঙ্খলাবাহিনীর প্রতিবেদন বলছে, রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর বড় একটি অংশ নানা অপরাধের সাথে নিজেদের জড়িয়ে ফেলেছেন। কেবলমাত্র চলতি বছরের আট মাসে অন্তত ১০ ধরনের অপরাধে জড়িয়েছে তারা। এর বিপরীতে ২৫০টি মামলা হয়েছে। যেখানে খুনের ঘটনায় মামলা হয়েছে ১৮টি। সবচেয়ে বেশি মামলা হয়েছে মাদক ও অপহরণ সংশ্লিষ্ট। মাদকের মামলা ১৫০টি। একই সঙ্গে অপহরণের ৫০টি, ধর্ষণের ১২টি।

 

২০১৭ সালের ২৫ আগস্ট মিয়ানমার থেকে বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গাদের ঢল নামে কক্সবাজার সীমান্তে। পরবর্তী কয়েক মাস অন্তত আট লাখ রোহিঙ্গা রাখাইন রাজ্যে ছেড়ে বাংলাদেশে পালিয়ে আসে। উখিয়া ও টেকনাফের ৩৩টি আশ্রয়শিবিরে তারা আশ্রয় নেয়। তাদের কয়েক হাজার আশ্রয় নিয়েছে ভাসানচরে।

 

এর আগেও কয়েক দশকে অন্তত ৩ লাখ রোহিঙ্গা বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছিল। এ ছাড়া প্রতি বছর ক্যাম্পে গড়ে ৩০ হাজার রোহিঙ্গা শিশুর জন্ম হচ্ছে। সব মিলিয়ে ১২ লাখের বেশি রোহিঙ্গা এখন বাংলাদেশে।

 

উখিয়ায় ইয়াবাসহ আটক রোহিঙ্গা নাগরিক। (ফাইল ফটো)
উখিয়ায় ইয়াবাসহ আটক রোহিঙ্গা নাগরিক। (ফাইল ফটো)

জাতিসংঘের শরণার্থীবিষয়ক সংস্থা ইউএনএইচসিআর- এর তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪ সালের জানুয়ারি থেকে গত জুন পর্যন্ত দেড় লাখ রোহিঙ্গা সীমান্ত পেরিয়ে বাংলাদেশে অনুপ্রবেশ করেছে। কক্সবাজারে রোহিঙ্গা আশ্রয় শিবিরগুলোতে এসব রোহিঙ্গা আশ্রয় নিয়েছে।

 

তাদের মধ্যে জুন পর্যন্ত নিবন্ধিত হয়েছে এক লাখ ২১ হাজার। অন্যরা নিবন্ধন ছাড়াই আশ্রয়শিবিরগুলোতে বসবাস করছে।

 

আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর বলছে, রোহিঙ্গারা আগে টেকনাফের নোয়াপাড়া ও উখিয়ার কুতুপালংয়ে শরণার্থী শিবিরের মধ্যে সীমাবদ্ধ ছিলো। ক্রমান্বয়ে তারা এখন কক্সবাজার সদর, কুতুবদিয়া, চকরিয়া, মহেশখালী, রামু, উখিয়ার বালুখালি, টেকনাফের লেদা ও পেকুয়া; অর্থাৎ সবকটি উপজেলায় ছড়িয়ে পড়েছে।

 

এছাড়া বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়িতেও ৩০ হাজারের বেশি, বান্দরবান সদরেও প্রায় সাড়ে ৪ লাখ রোহিঙ্গা ছড়িয়ে পড়েছে। আইন-শৃঙ্খলাবাহিনীর অভিযানে এসব জায়গা থেকে নিয়মিত রোহিঙ্গা আটকও হচ্ছে।

 

প্রথম দিকে ক্যাম্পগুলোতে আন্তর্জাতিক বিভিন্ন সংস্থা ও দেশের আইন-শৃঙ্খলাবাহিনী বেশ তৎপর ছিলেন। কিন্তু সময়ের সাথে সাথে সেখানে নজরদারি কমতে থাকে। কমতে থাকে সাহায্যের পরিমান।

 

ক্যাম্পগুলোতে অপরাধের মূলে রয়েছে নিজেদের মধ্যে দ্বন্দ্ব- এমনটাই মনে করছেন কক্সবাজার জেলা পুলিশের মিডিয়া কর্মকর্তা ও অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ট্রাফিক) মো. জসীম উদ্দিন চৌধুরী। পুলিশের এই কর্মকর্তা বাংলা অ্যাফেয়ার্সকে বলেন, মূলত অধিকাংশ প্রাণহানির ঘটনার পেছনে রয়েছে আধিপত্য বিস্তারের দ্বন্ধ। এর বাইরে মাদক কারবারে জড়িত একটি বিশাল অংশ।

 

টেকনাফ সদর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জিয়াউর রহমান জিহাদ বাংলা অ্যাফেয়ার্সকে বলেন, ‘ক্যাম্প ঘিরে ব্যাপক ষড়যন্ত্র চলছে। বাংলাদেশকে যারা ব্যর্থ রাষ্ট্রে পরিণত করতে চায়, তারা রোহিঙ্গাদের টার্গেট করে এসব ঘটনাগুলো করাচ্ছে।

 

রোহিঙ্গাদের সম্প্রতিক কর্মকান্ড আমাদের এই অঞ্চলের জন্য খুবই উদ্বেগের। আমরা দীর্ঘদিন ধরে বলে আসছিলাম রোহিঙ্গা ক্যাম্পগুলোতে নজরদারি বাড়ানোর জন্য এবং সেখানে যৌথ অভিযান চালানোর জন্য।’– যোগ করেন স্থানীয় এই জনপ্রতিনিধি।

 

পুলিশের প্রতিবেদন অনুযায়ি, গত আট বছরে কক্সবাজারের উখিয়া ও টেকনাফের বিভিন্ন আশ্রয় শিবিরে খুন হয়েছেন ৩’শ রোহিঙ্গা নাগরিক। এসব ঘটনায় ২৮৭টি মামলা হয়েছে। এসব খুনের সাথে রোহিঙ্গাদের অন্য একটি অংশ জড়িত।

 

স্থানীয়রা বলছেন, তাঁরা শুধু আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে চিন্তিত নন। তাঁদের ক্ষোভ আছে আরও নানা বিষয়ে। এখন পর্যন্ত কক্সবাজার জেলায় রোহিঙ্গা শরণার্থীর সংখ্যা কত, সে সম্পর্কে সুনির্দিষ্ট কিছু জানা যাচ্ছে না। ধারণা করা হয়, এই সংখ্যা ১৫ থেকে ১৬ লাখ। তার বিপরীতে স্থানীয়দের সংখ্যা৬-৭ লাখ হবে।

 

কক্সবাজারের রোহিঙ্গা নেতা মো. জোবায়ের জানান, সাম্প্রতিক সময়ে ক্যাম্পগুলোতে হত্যার ঘটনা একটু কমলেও মাদক, অপহরণ ও ধর্ষনের মতো ঘটনা অব্যাহত আছে। এর ফলে ক্যাম্পের সাধারণ বাসিন্ধারা ভয়-ভীতির মধ্য রয়েছে।

এই রোহিঙ্গা নেতা বলেন, ‘এসব সমস্যার সমাধানের একমাত্র পথ হচ্ছে প্রত্যাবাসন ‘

 

গত ১৪ মার্চ জাতিসংঘের মহাসচিবের উপস্থিতিতে ক্যাম্পে আয়োজন করা রোহিঙ্গাদের এক সমাবেশে অন্তবর্তীকালিন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেছিলেন, এই ঈদ না হোক, আগামী ঈদে রোহিঙ্গারা নিজ দেশে ঈদ করতে পারবেন। উপদেষ্টার এমন প্রত্যাশা বাণী স্বস্তি এনেছিল সবার মাঝে। কিন্তু অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টার এই প্রত্যাশা আর বাস্তবায়ন হয়নি।