ঢাকা ১০:০৭ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৬ জানুয়ারী ২০২৬, ১৩ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

আজ রাজপথে এনসিপি ও ছাত্রদল

নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাবি
  • সর্বশেষ আপডেট ০৯:৫৭:৫৩ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৩ অগাস্ট ২০২৫
  • / 192

এনসিপি ও ছাত্রদল

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের বর্ষপূর্তি উপলক্ষে নানা কর্মসূচির অংশ হিসেবে আজ রাজধানীর রাজপথে সমাবেশ করতে যাচ্ছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) এবং বিএনপির ছাত্র সংগঠন জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল। জুলাই আন্দোলনে নেতৃত্ব দেওয়া বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের উদ্যোগে গঠিত দল এনসিপির দেশব্যাপী পদযাত্রার সমাপ্তি হবে কেন্দ্রীয় শহিদ মিনারে আয়োজিত আজকের সমাবেশে। সেখান থেকেই দলটি ঘোষণা করবে ‘জাতীয় ইশতেহার’। বেলা ৩টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত জুলাই ঘোষণাপত্র ও সনদের দাবিতে এই সমাবেশ অনুষ্ঠিত হবে।

অন্যদিকে, দুপুর ১২টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত গণঅভ্যুত্থান, শোক ও বিজয়ের প্রথম বর্ষপূর্তি উপলক্ষে জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের উদ্যোগে ‘ছাত্র সমাবেশ’ অনুষ্ঠিত হবে রাজধানীর শাহবাগে।

এদিকে সাইমুম শিল্পগোষ্ঠীর আয়োজনে চার দিনব্যাপী ৩৬ জুলাই কালচারাল ফেস্ট ‘জুলাই জাগরণ’-এর তৃতীয় দিনের কর্মসূচি চলবে সকাল ১০টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত।

জুলাই সনদের ভিত্তিতে পরবর্তী নির্বাচন হতে হবে : নাহিদ ইসলাম
আজকের সমাবেশের প্রস্তুতি জানাতে গতকাল সংবাদ সম্মেলন করেছে এনসিপি। দলটির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম বলেন, “জুলাই সনদের ভিত্তিতেই পরবর্তী নির্বাচন হতে হবে। নির্বাচনী সংসদের হাতে সংস্কার কার্যক্রম ছেড়ে দেওয়া যাবে না। বরং জুলাই সনদের ভিত্তিতেই সংসদ বা গণপরিষদ গঠিত হবে। অন্তর্বর্তী সরকারের সময় থেকেই জুলাই সনদ কার্যকর করতে হবে।”

তিনি আরও বলেন, “জুলাই ঘোষণাপত্রের সাংবিধানিক স্বীকৃতি থাকতে হবে এবং সেই ভিত্তিতেই আগামী নির্বাচন ও সংসদ গঠিত হতে হবে।”

আজকের সমাবেশ প্রসঙ্গে তিনি জানান, “শহিদ মিনারে আমাদের জুলাই পদযাত্রার পরিসমাপ্তি হবে। নতুন বাংলাদেশের ইশতেহার আমরা ঘোষণা করব, যেখানে এনসিপির পক্ষ থেকে রূপরেখা ও কর্মসূচি উপস্থাপন করা হবে। সবাইকে এই কর্মসূচিতে অংশগ্রহণের আহ্বান জানাচ্ছি।”

সমাবেশ উপলক্ষে জনসাধারণের ভোগান্তি সম্পর্কে নাহিদ ইসলাম বলেন, “আগামীকাল এইচএসসি পরীক্ষা রয়েছে। দুই বেলা পরীক্ষার পাশাপাশি আরেকটি ছাত্র সংগঠনেরও সমাবেশ রয়েছে। জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের কর্মসূচি শহিদ মিনারে ছিল, কিন্তু আমাদের অনুরোধে তারা সেখান থেকে সরে গিয়ে শাহবাগে করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এজন্য আমরা তাদের আন্তরিক ধন্যবাদ জানাই। যেহেতু দুইটি বড় কর্মসূচি ও পরীক্ষা একসাথে হবে, যানজট সৃষ্টি হতে পারে। তাই ঢাকাবাসীর কাছে অগ্রিম দুঃখ প্রকাশ করছি। ৩ আগস্ট একটি ঐতিহাসিক দিন, না হলে আমরা ছুটির দিনে আয়োজন করতাম।”

জুলাই সনদ বিষয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে নাহিদ বলেন, “আমাদেরকে এখনও নতুন বাংলাদেশের জন্য লড়াই চালিয়ে যেতে হচ্ছে। জুলাই পদযাত্রা ছিল বিচার, সংস্কার এবং নতুন সংবিধানের দাবিতে। সরকার ৫ আগস্ট জুলাই ঘোষণাপত্র প্রকাশ করতে যাচ্ছে, আমরা এই উদ্যোগকে স্বাগত জানাই। তবে ৫ আগস্টের মধ্যে যেন জুলাই সনদের সুরাহা হয়, সেটাই ছিল আমাদের দাবি। কিছু বিষয়ে ঐকমত্য হলেও কিছু বিষয়ে দ্বিমত রয়েছে। ‘নোট অব ডিসেন্ট’ যেগুলো রয়েছে, সেগুলোর বিষয়ে ঐকমত্য কমিশন এখনও তাদের পরিকল্পনা জানায়নি। বাস্তবায়নের পদ্ধতি চূড়ান্ত হলে সব দল এতে স্বাক্ষর করবে।”

তিনি আরও বলেন, “এক বছরে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের যে আকাঙ্ক্ষা ছিল, তার পূর্ণতা পায়নি। এটি অন্তর্বর্তী সরকারের দায়িত্ব ছিল। জুলাই সনদের মাধ্যমে হয়তো এর আংশিক প্রাপ্তি সম্ভব হবে।”

শাহবাগে বৃহৎ জমায়েতের টার্গেট ছাত্রদলের
জুলাই-আগস্ট গণঅভ্যুত্থানের বর্ষপূর্তি উপলক্ষে জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের আজকের সমাবেশ ঘিরে ব্যাপক প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে সংগঠনটি। গঠন করা হয়েছে প্রায় ৯০টি সাংগঠনিক টিম। দেশের সব জেলা ও মহানগর থেকে নেতাকর্মীদের অংশগ্রহণের কথা রয়েছে।

সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে লন্ডন থেকে ভার্চুয়ালি বক্তব্য দেবেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। এতে জুলাই আন্দোলনের শহিদ পরিবারের সদস্য ও আহত ব্যক্তিরাও অংশ নেবেন বলে জানিয়েছেন ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক।

ছাত্রদল এবার ভিন্ন আঙ্গিকে সমাবেশ করতে চায়। এজন্য নেতাকর্মীদের প্রতি ছয় দফা বিশেষ নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে:

১. সমাবেশে কোনো ব্যানার, ফেস্টুন বা প্ল্যাকার্ড আনা যাবে না।
২. সমাবেশের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত ইউনিটগুলিকে উপস্থিত থাকতে হবে।
৩. জরুরি সেবা, যেমন অ্যাম্বুলেন্স চলাচলে সহায়তা করতে হবে।
৪. ছাত্রদলের পরিবহন কোনো অবস্থাতেই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় প্রবেশ করতে পারবে না।
৫. ব্যক্তিগত শোডাউন বা মিছিল নিয়ে সমাবেশে আসা যাবে না।
৬. সমাবেশ শেষে নির্ধারিত স্থান পরিষ্কার করে যেতে হবে।

সার্বিক প্রস্তুতি সম্পর্কে জানতে চাইলে ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিব বলেন, “ফ্যাসিস্ট সরকার পতনে ছাত্রদল রাজপথে ভ্যানগার্ড হিসেবে কাজ করেছে। জুলাই-আগস্ট আন্দোলনেও ছিল অগ্রণী ভূমিকা। ওই আন্দোলনে ছাত্রদলের ১৪২ জন নেতাকর্মী শহিদ হয়েছেন। আমরা এই সমাবেশ থেকে শহিদদের স্মরণ করব এবং দেশ গঠনে ছাত্রসমাজকে সম্পৃক্ত করতে আহ্বান জানাব। একইসঙ্গে ভোটাধিকার পুনরুদ্ধারের দাবিও জানানো হবে।”

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

আজ রাজপথে এনসিপি ও ছাত্রদল

সর্বশেষ আপডেট ০৯:৫৭:৫৩ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৩ অগাস্ট ২০২৫

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের বর্ষপূর্তি উপলক্ষে নানা কর্মসূচির অংশ হিসেবে আজ রাজধানীর রাজপথে সমাবেশ করতে যাচ্ছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) এবং বিএনপির ছাত্র সংগঠন জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল। জুলাই আন্দোলনে নেতৃত্ব দেওয়া বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের উদ্যোগে গঠিত দল এনসিপির দেশব্যাপী পদযাত্রার সমাপ্তি হবে কেন্দ্রীয় শহিদ মিনারে আয়োজিত আজকের সমাবেশে। সেখান থেকেই দলটি ঘোষণা করবে ‘জাতীয় ইশতেহার’। বেলা ৩টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত জুলাই ঘোষণাপত্র ও সনদের দাবিতে এই সমাবেশ অনুষ্ঠিত হবে।

অন্যদিকে, দুপুর ১২টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত গণঅভ্যুত্থান, শোক ও বিজয়ের প্রথম বর্ষপূর্তি উপলক্ষে জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের উদ্যোগে ‘ছাত্র সমাবেশ’ অনুষ্ঠিত হবে রাজধানীর শাহবাগে।

এদিকে সাইমুম শিল্পগোষ্ঠীর আয়োজনে চার দিনব্যাপী ৩৬ জুলাই কালচারাল ফেস্ট ‘জুলাই জাগরণ’-এর তৃতীয় দিনের কর্মসূচি চলবে সকাল ১০টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত।

জুলাই সনদের ভিত্তিতে পরবর্তী নির্বাচন হতে হবে : নাহিদ ইসলাম
আজকের সমাবেশের প্রস্তুতি জানাতে গতকাল সংবাদ সম্মেলন করেছে এনসিপি। দলটির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম বলেন, “জুলাই সনদের ভিত্তিতেই পরবর্তী নির্বাচন হতে হবে। নির্বাচনী সংসদের হাতে সংস্কার কার্যক্রম ছেড়ে দেওয়া যাবে না। বরং জুলাই সনদের ভিত্তিতেই সংসদ বা গণপরিষদ গঠিত হবে। অন্তর্বর্তী সরকারের সময় থেকেই জুলাই সনদ কার্যকর করতে হবে।”

তিনি আরও বলেন, “জুলাই ঘোষণাপত্রের সাংবিধানিক স্বীকৃতি থাকতে হবে এবং সেই ভিত্তিতেই আগামী নির্বাচন ও সংসদ গঠিত হতে হবে।”

আজকের সমাবেশ প্রসঙ্গে তিনি জানান, “শহিদ মিনারে আমাদের জুলাই পদযাত্রার পরিসমাপ্তি হবে। নতুন বাংলাদেশের ইশতেহার আমরা ঘোষণা করব, যেখানে এনসিপির পক্ষ থেকে রূপরেখা ও কর্মসূচি উপস্থাপন করা হবে। সবাইকে এই কর্মসূচিতে অংশগ্রহণের আহ্বান জানাচ্ছি।”

সমাবেশ উপলক্ষে জনসাধারণের ভোগান্তি সম্পর্কে নাহিদ ইসলাম বলেন, “আগামীকাল এইচএসসি পরীক্ষা রয়েছে। দুই বেলা পরীক্ষার পাশাপাশি আরেকটি ছাত্র সংগঠনেরও সমাবেশ রয়েছে। জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের কর্মসূচি শহিদ মিনারে ছিল, কিন্তু আমাদের অনুরোধে তারা সেখান থেকে সরে গিয়ে শাহবাগে করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এজন্য আমরা তাদের আন্তরিক ধন্যবাদ জানাই। যেহেতু দুইটি বড় কর্মসূচি ও পরীক্ষা একসাথে হবে, যানজট সৃষ্টি হতে পারে। তাই ঢাকাবাসীর কাছে অগ্রিম দুঃখ প্রকাশ করছি। ৩ আগস্ট একটি ঐতিহাসিক দিন, না হলে আমরা ছুটির দিনে আয়োজন করতাম।”

জুলাই সনদ বিষয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে নাহিদ বলেন, “আমাদেরকে এখনও নতুন বাংলাদেশের জন্য লড়াই চালিয়ে যেতে হচ্ছে। জুলাই পদযাত্রা ছিল বিচার, সংস্কার এবং নতুন সংবিধানের দাবিতে। সরকার ৫ আগস্ট জুলাই ঘোষণাপত্র প্রকাশ করতে যাচ্ছে, আমরা এই উদ্যোগকে স্বাগত জানাই। তবে ৫ আগস্টের মধ্যে যেন জুলাই সনদের সুরাহা হয়, সেটাই ছিল আমাদের দাবি। কিছু বিষয়ে ঐকমত্য হলেও কিছু বিষয়ে দ্বিমত রয়েছে। ‘নোট অব ডিসেন্ট’ যেগুলো রয়েছে, সেগুলোর বিষয়ে ঐকমত্য কমিশন এখনও তাদের পরিকল্পনা জানায়নি। বাস্তবায়নের পদ্ধতি চূড়ান্ত হলে সব দল এতে স্বাক্ষর করবে।”

তিনি আরও বলেন, “এক বছরে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের যে আকাঙ্ক্ষা ছিল, তার পূর্ণতা পায়নি। এটি অন্তর্বর্তী সরকারের দায়িত্ব ছিল। জুলাই সনদের মাধ্যমে হয়তো এর আংশিক প্রাপ্তি সম্ভব হবে।”

শাহবাগে বৃহৎ জমায়েতের টার্গেট ছাত্রদলের
জুলাই-আগস্ট গণঅভ্যুত্থানের বর্ষপূর্তি উপলক্ষে জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের আজকের সমাবেশ ঘিরে ব্যাপক প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে সংগঠনটি। গঠন করা হয়েছে প্রায় ৯০টি সাংগঠনিক টিম। দেশের সব জেলা ও মহানগর থেকে নেতাকর্মীদের অংশগ্রহণের কথা রয়েছে।

সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে লন্ডন থেকে ভার্চুয়ালি বক্তব্য দেবেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। এতে জুলাই আন্দোলনের শহিদ পরিবারের সদস্য ও আহত ব্যক্তিরাও অংশ নেবেন বলে জানিয়েছেন ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক।

ছাত্রদল এবার ভিন্ন আঙ্গিকে সমাবেশ করতে চায়। এজন্য নেতাকর্মীদের প্রতি ছয় দফা বিশেষ নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে:

১. সমাবেশে কোনো ব্যানার, ফেস্টুন বা প্ল্যাকার্ড আনা যাবে না।
২. সমাবেশের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত ইউনিটগুলিকে উপস্থিত থাকতে হবে।
৩. জরুরি সেবা, যেমন অ্যাম্বুলেন্স চলাচলে সহায়তা করতে হবে।
৪. ছাত্রদলের পরিবহন কোনো অবস্থাতেই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় প্রবেশ করতে পারবে না।
৫. ব্যক্তিগত শোডাউন বা মিছিল নিয়ে সমাবেশে আসা যাবে না।
৬. সমাবেশ শেষে নির্ধারিত স্থান পরিষ্কার করে যেতে হবে।

সার্বিক প্রস্তুতি সম্পর্কে জানতে চাইলে ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিব বলেন, “ফ্যাসিস্ট সরকার পতনে ছাত্রদল রাজপথে ভ্যানগার্ড হিসেবে কাজ করেছে। জুলাই-আগস্ট আন্দোলনেও ছিল অগ্রণী ভূমিকা। ওই আন্দোলনে ছাত্রদলের ১৪২ জন নেতাকর্মী শহিদ হয়েছেন। আমরা এই সমাবেশ থেকে শহিদদের স্মরণ করব এবং দেশ গঠনে ছাত্রসমাজকে সম্পৃক্ত করতে আহ্বান জানাব। একইসঙ্গে ভোটাধিকার পুনরুদ্ধারের দাবিও জানানো হবে।”