ঢাকা ১২:০৮ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২৬, ১১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

অষ্টগ্রামে বিএনপির দুই পক্ষের সংঘর্ষে আহত অন্তত ৪০

নিজস্ব প্রতিবেদক, কিশোরগঞ্জ
  • সর্বশেষ আপডেট ০৯:১০:২৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১ জুলাই ২০২৫
  • / 302

অষ্টগ্রামে বিএনপির দুই পক্ষের সংঘর্ষে আহত অন্তত ৪০

কিশোরগঞ্জের অষ্টগ্রামে বিএনপির দুই গ্রুপের মধ্যে ভয়াবহ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। মঙ্গলবার (১ জুলাই) সকালে উপজেলার খয়েরপুর-আব্দুল্লাপুর ইউনিয়নের আব্দুল্লাপুর গ্রামের বাঘাবাড়ি এলাকায় এ সংঘর্ষে অন্তত ৪০ জন আহত হন। সংঘর্ষের সময় ব্যাপক ভাঙচুর, লুটপাট ও অগ্নিসংযোগের ঘটনাও ঘটে।

দীর্ঘদিন ধরে ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি কামাল পাশা ও কিশোরগঞ্জ জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক ফরহাদ আহমেদের মধ্যে পারিবারিক ও রাজনৈতিক বিরোধ চলছিল। সেই বিরোধ থেকেই সংঘর্ষের সূত্রপাত বলে জানিয়েছে স্থানীয় সূত্র।

পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, মঙ্গলবার সকালে কামাল পাশার অনুসারীরা ফরহাদ আহমেদের বাড়ি ‘বাঘাবাড়ি’-তে অতর্কিত হামলা চালায়। এরপরই শুরু হয় ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া, ইটপাটকেল নিক্ষেপ এবং দেশীয় অস্ত্র দিয়ে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ। পরিস্থিতি বেগতিক হয়ে উঠলে বাঘাবাড়িতে বাড়িঘরে ভাঙচুর, লুটপাট এবং কয়েকটি ঘরে অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটে।

সংঘর্ষের খবর পেয়ে অষ্টগ্রাম থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে বেশ কিছুক্ষণ চেষ্টার পর পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

এদিকে, সংঘর্ষ নিয়ে দুই পক্ষই একে অপরকে দায়ী করছে। কামাল পাশা অভিযোগ করে বলেন, “আমি মাঠ পরিদর্শনের জন্য যাচ্ছিলাম, পথে প্রতিপক্ষ হামলা চালায়। এতে আমাদের ১৫-২০ জন আহত হয়।” অপরদিকে ফরহাদ আহমেদ দাবি করেন, “আমি কিশোরগঞ্জে অবস্থান করছি। কামাল পাশা পরিকল্পিতভাবে আমাদের বাড়িতে হামলা চালিয়ে ভাঙচুর, লুটপাট ও অগ্নিসংযোগ করেছেন।”

অষ্টগ্রাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. রুহুল আমিন জানান, “সংঘর্ষের খবর পাওয়ার পর আমরা দ্রুত ফোর্সসহ ঘটনাস্থলে যাই। বর্তমানে পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে। লিখিত অভিযোগ পেলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এখনো কাউকে আটক করা হয়নি।”

ঘটনার পর পুরো এলাকায় চরম আতঙ্ক বিরাজ করছে। স্থানীয় প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে রয়েছে।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

অষ্টগ্রামে বিএনপির দুই পক্ষের সংঘর্ষে আহত অন্তত ৪০

সর্বশেষ আপডেট ০৯:১০:২৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১ জুলাই ২০২৫

কিশোরগঞ্জের অষ্টগ্রামে বিএনপির দুই গ্রুপের মধ্যে ভয়াবহ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। মঙ্গলবার (১ জুলাই) সকালে উপজেলার খয়েরপুর-আব্দুল্লাপুর ইউনিয়নের আব্দুল্লাপুর গ্রামের বাঘাবাড়ি এলাকায় এ সংঘর্ষে অন্তত ৪০ জন আহত হন। সংঘর্ষের সময় ব্যাপক ভাঙচুর, লুটপাট ও অগ্নিসংযোগের ঘটনাও ঘটে।

দীর্ঘদিন ধরে ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি কামাল পাশা ও কিশোরগঞ্জ জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক ফরহাদ আহমেদের মধ্যে পারিবারিক ও রাজনৈতিক বিরোধ চলছিল। সেই বিরোধ থেকেই সংঘর্ষের সূত্রপাত বলে জানিয়েছে স্থানীয় সূত্র।

পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, মঙ্গলবার সকালে কামাল পাশার অনুসারীরা ফরহাদ আহমেদের বাড়ি ‘বাঘাবাড়ি’-তে অতর্কিত হামলা চালায়। এরপরই শুরু হয় ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া, ইটপাটকেল নিক্ষেপ এবং দেশীয় অস্ত্র দিয়ে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ। পরিস্থিতি বেগতিক হয়ে উঠলে বাঘাবাড়িতে বাড়িঘরে ভাঙচুর, লুটপাট এবং কয়েকটি ঘরে অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটে।

সংঘর্ষের খবর পেয়ে অষ্টগ্রাম থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে বেশ কিছুক্ষণ চেষ্টার পর পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

এদিকে, সংঘর্ষ নিয়ে দুই পক্ষই একে অপরকে দায়ী করছে। কামাল পাশা অভিযোগ করে বলেন, “আমি মাঠ পরিদর্শনের জন্য যাচ্ছিলাম, পথে প্রতিপক্ষ হামলা চালায়। এতে আমাদের ১৫-২০ জন আহত হয়।” অপরদিকে ফরহাদ আহমেদ দাবি করেন, “আমি কিশোরগঞ্জে অবস্থান করছি। কামাল পাশা পরিকল্পিতভাবে আমাদের বাড়িতে হামলা চালিয়ে ভাঙচুর, লুটপাট ও অগ্নিসংযোগ করেছেন।”

অষ্টগ্রাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. রুহুল আমিন জানান, “সংঘর্ষের খবর পাওয়ার পর আমরা দ্রুত ফোর্সসহ ঘটনাস্থলে যাই। বর্তমানে পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে। লিখিত অভিযোগ পেলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এখনো কাউকে আটক করা হয়নি।”

ঘটনার পর পুরো এলাকায় চরম আতঙ্ক বিরাজ করছে। স্থানীয় প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে রয়েছে।