ঢাকা ০৮:১২ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৬, ১১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

‘অর্থনীতির সমস্যা সমাধানে বাংলাদেশ ব্যাংকের স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে হবে’

অর্থনৈতিক প্রতিবেদক
  • সর্বশেষ আপডেট ০৪:৪৩:৫১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ অক্টোবর ২০২৫
  • / 123

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী। ফাইল ছবি

বাংলাদেশের অর্থনীতির সমস্যা সমাধানে বাংলাদেশ ব্যাংকের স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী। মঙ্গলবার (২১ অক্টোবর) দুপুরে রাজধানীর একটি হোটেলে পিআরআই’র আয়োজিত ‘কেন্দ্রীয় ব্যাংকের স্বাধীনতার জন্য আবশ্যক’ শীর্ষক সেমিনারে তিনি এ দাবি করেন।

খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, ‘বাংলাদেশ ব্যাংককে স্বাধীন করতে হবে। বাংলাদেশ ব্যাংকে আমরা কখনও পলিটিকাল লোক নিয়োগ করিনি। আমরা ব্যাংকিং ডিভিশন (আর্থিক বিভাগ) বন্ধ করে দিয়েছিলাম। কারণ এটার কোনো ভূমিকা ছিল না। তারাই আবার পরে এটা ফেরত এনেছে। তাতে আরও নানা রকমের সমস্যা তৈরি হয়েছে।’

তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশের অর্থনীতিতে যত বড় ধরনের সংস্কার হয়েছে, তা বিএনপির সময়েই হয়েছে। ব্যাংকগুলো শর্ট টার্ম ডিপোজিট নিয়ে লং টার্ম লেন্ডিং করছে। এসবের কারণে ব্যাংকিং খাতে খেলাপি ঋণ বাড়ছে।

বিএনপির সিনিয়র এই নেতা বলেন, ‘ক্যাপিটাল মার্কেট উন্নতি করতে না পারলে কেন্দ্রীয় ব্যাংক যত সংস্কার করুক না কেন, তাতে কোনো লাভ নেই। বাংলাদেশে ক্যাপিটাল মার্কেট বলতে কিছু নেই।’

মনেটারি পলিসি ও ফিসক্যাল পলিসির মধ্যে একটা সমন্বয় করতে হবে। অটোমেশন করা গেলে স্বচ্ছতা বাড়বে। কারণ ভবিষ্যতের অর্থনীতি হচ্ছে ক্যাশলেস সোসাইটি, যোগ করেন তিনি।

তিনি আরও বলেন, ‘আমরা ১ কোটি চাকরি তৈরি করব ১৮ মাসে। কিভাবে করব- আইটি, দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ ও বিদেশে জনশক্তি দিয়ে। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের স্বাধীনতা কথা চিন্তা করতে হবে। এক্ষেত্রে প্রাইভেট সেক্টরকেও এগিয়ে আসতে হবে।’

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

‘অর্থনীতির সমস্যা সমাধানে বাংলাদেশ ব্যাংকের স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে হবে’

সর্বশেষ আপডেট ০৪:৪৩:৫১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ অক্টোবর ২০২৫

বাংলাদেশের অর্থনীতির সমস্যা সমাধানে বাংলাদেশ ব্যাংকের স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী। মঙ্গলবার (২১ অক্টোবর) দুপুরে রাজধানীর একটি হোটেলে পিআরআই’র আয়োজিত ‘কেন্দ্রীয় ব্যাংকের স্বাধীনতার জন্য আবশ্যক’ শীর্ষক সেমিনারে তিনি এ দাবি করেন।

খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, ‘বাংলাদেশ ব্যাংককে স্বাধীন করতে হবে। বাংলাদেশ ব্যাংকে আমরা কখনও পলিটিকাল লোক নিয়োগ করিনি। আমরা ব্যাংকিং ডিভিশন (আর্থিক বিভাগ) বন্ধ করে দিয়েছিলাম। কারণ এটার কোনো ভূমিকা ছিল না। তারাই আবার পরে এটা ফেরত এনেছে। তাতে আরও নানা রকমের সমস্যা তৈরি হয়েছে।’

তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশের অর্থনীতিতে যত বড় ধরনের সংস্কার হয়েছে, তা বিএনপির সময়েই হয়েছে। ব্যাংকগুলো শর্ট টার্ম ডিপোজিট নিয়ে লং টার্ম লেন্ডিং করছে। এসবের কারণে ব্যাংকিং খাতে খেলাপি ঋণ বাড়ছে।

বিএনপির সিনিয়র এই নেতা বলেন, ‘ক্যাপিটাল মার্কেট উন্নতি করতে না পারলে কেন্দ্রীয় ব্যাংক যত সংস্কার করুক না কেন, তাতে কোনো লাভ নেই। বাংলাদেশে ক্যাপিটাল মার্কেট বলতে কিছু নেই।’

মনেটারি পলিসি ও ফিসক্যাল পলিসির মধ্যে একটা সমন্বয় করতে হবে। অটোমেশন করা গেলে স্বচ্ছতা বাড়বে। কারণ ভবিষ্যতের অর্থনীতি হচ্ছে ক্যাশলেস সোসাইটি, যোগ করেন তিনি।

তিনি আরও বলেন, ‘আমরা ১ কোটি চাকরি তৈরি করব ১৮ মাসে। কিভাবে করব- আইটি, দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ ও বিদেশে জনশক্তি দিয়ে। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের স্বাধীনতা কথা চিন্তা করতে হবে। এক্ষেত্রে প্রাইভেট সেক্টরকেও এগিয়ে আসতে হবে।’