অভিযুক্ত ১৫ সেনা কর্মকর্তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ
- সর্বশেষ আপডেট ১০:১২:৪৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২২ অক্টোবর ২০২৫
- / 147
আওয়ামী লীগের দেড় দশকের শাসনামলে গুম ও হত্যা সম্পর্কিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় হেফাজতে থাকা সেনাবাহিনীর ১৫ কর্মকর্তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল।
বুধবার (২২ অক্টোবর) সকালে ট্রাইব্যুনাল-১-এর চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বেঞ্চ এই নির্দেশ দেন। প্যানেলের অন্য দুই সদস্য ছিলেন বিচারপতি মো. শফিউল আলম মাহমুদ ও বিচারক মো. মোহিতুল হক এনাম চৌধুরী।
সকাল ৭টার পর অভিযুক্ত কর্মকর্তাদের ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়। এরপর শুনানি শেষে আদালত তাঁদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
কারাগারে পাঠানোর নির্দেশপ্রাপ্তদের মধ্যে রয়েছেন র্যাবের সাবেক অতিরিক্ত মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. জাহাঙ্গীর আলম, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল তোফায়েল মোস্তফা সারোয়ার, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. কামরুল হাসান, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. মাহাবুব আলম, ব্রিগেডিয়ার কে. এম. আজাদ, কর্নেল আবদুল্লাহ আল মোমেন ও কর্নেল আনোয়ার লতিফ খান (বর্তমানে অবসরকালীন ছুটিতে)।
এছাড়া র্যাব গোয়েন্দা শাখার সাবেক পরিচালক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. মশিউর রহমান, লেফটেন্যান্ট কর্নেল সাইফুল ইসলাম সুমন, লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. সারওয়ার বিন কাশেম, লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোহাম্মদ রেদোয়ানুল ইসলাম এবং বিজিবির সাবেক কর্মকর্তা মেজর মো. রাফাত-বিন-আলমও অন্তর্ভুক্ত রয়েছেন।
পাশাপাশি, ডিজিএফআইয়ের সাবেক তিন পরিচালক মেজর জেনারেল শেখ মো. সরওয়ার হোসেন, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. মাহবুবুর রহমান সিদ্দিকী এবং ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আহমেদ তানভির মাজাহার সিদ্দিকীকেও জেলহাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন ট্রাইব্যুনাল।
এদিন সকালে অভিযুক্তদের আদালতে হাজিরকে কেন্দ্র করে রাজধানীর কাকরাইল, মৎস্য ভবন, পল্টনসহ আশপাশের এলাকায় নেওয়া হয় কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা। ভোর থেকেই ট্রাইব্যুনাল চত্বর ও আশপাশের এলাকায় পুলিশ, র্যাব, বিজিবি এবং সেনাবাহিনীর সদস্যদের সতর্ক অবস্থানে থাকতে দেখা যায়। পুরো এলাকায় জারি ছিল সর্বোচ্চ নিরাপত্তা সতর্কতা।
































