ঢাকা ০৬:৪৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২৬, ১২ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

অভিযুক্ত সেনা কর্মকর্তাদের বিচার ট্রাইব্যুনালের এখতিয়ারে

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • সর্বশেষ আপডেট ০৩:০৬:৪৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ১২ অক্টোবর ২০২৫
  • / 128

সেনা কর্মকর্তাদের অপরাধের বিচার কিভাবে হবে

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট তাজুল ইসলাম জানিয়েছেন, গুমের দুই মামলাসহ তিনটি মামলায় পরোয়ানা জারি হওয়া সেনা কর্মকর্তাদের বিচার করার পূর্ণ এখতিয়ার রয়েছে ট্রাইব্যুনালের

রোববার (১২ অক্টোবর) দুপুরে সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, গুমের মামলায় যেসব সেনা কর্মকর্তা হেফাজতে রয়েছেন, তাদের বিষয়ে ট্রাইব্যুনাল আইন অনুযায়ী পদক্ষেপ নেওয়া হবে। সাধারণ আইনের বিধান অনুযায়ী, গ্রেপ্তারের পর ২৪ ঘণ্টার মধ্যে আসামিকে আদালতে হাজির করা বাধ্যতামূলক। এরপর আদালতই পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেবেন।

তাজুল ইসলাম জানান, পরোয়ানার কপি ইতোমধ্যে সেনাবাহিনীসহ সংশ্লিষ্ট সব দপ্তরে পাঠানো হয়েছে। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল আইন অনুযায়ী, গুম ও হত্যার মতো অপরাধে সেনা কর্মকর্তাদের বিচারের এখতিয়ার এই আদালতেরই রয়েছে। এসব মামলায় আইন চ্যালেঞ্জ করার সুযোগ নেই বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

তাজুল ইসলাম
তাজুল ইসলাম

এর আগে, শনিবার (১১ অক্টোবর) ঢাকা সেনানিবাসে এক ব্রিফিংয়ে মেজর জেনারেল মো. হাকিমুজ্জামান জানান, ট্রাইব্যুনালের চার্জশিটে নাম থাকা ১৫ জন সেনা কর্মকর্তাকে হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। তবে সেনাবাহিনী দাবি করেছে, তারা গুমের কোনো পরোয়ানার কপি পায়নি।

তিনি আরও জানান, মোট ২৫ জনকে অভিযুক্ত করা হয়েছে—যার মধ্যে একজন অবসরপ্রাপ্ত (এলপিআর) এবং ১৫ জন সক্রিয় সার্ভিসে আছেন। তাদের ৯ অক্টোবরের মধ্যে সেনা সদরে উপস্থিত হওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল; মেজর জেনারেল কবীর আহম্মদ ছাড়া বাকি সবাই উপস্থিত হয়েছেন।

এদিকে চিফ প্রসিকিউটর তাজুল ইসলাম জানান, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে শেখ হাসিনাসহ তিনজনের বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় যুক্তিতর্ক উপস্থাপন চলাকালে ট্রাইব্যুনালের ফেসবুক পেজে সাইবার হামলার ঘটনা ঘটে। পরবর্তীতে তা উদ্ধার করা হয়েছে বলে তিনি জানিয়েছেন।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

অভিযুক্ত সেনা কর্মকর্তাদের বিচার ট্রাইব্যুনালের এখতিয়ারে

সর্বশেষ আপডেট ০৩:০৬:৪৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ১২ অক্টোবর ২০২৫

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট তাজুল ইসলাম জানিয়েছেন, গুমের দুই মামলাসহ তিনটি মামলায় পরোয়ানা জারি হওয়া সেনা কর্মকর্তাদের বিচার করার পূর্ণ এখতিয়ার রয়েছে ট্রাইব্যুনালের

রোববার (১২ অক্টোবর) দুপুরে সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, গুমের মামলায় যেসব সেনা কর্মকর্তা হেফাজতে রয়েছেন, তাদের বিষয়ে ট্রাইব্যুনাল আইন অনুযায়ী পদক্ষেপ নেওয়া হবে। সাধারণ আইনের বিধান অনুযায়ী, গ্রেপ্তারের পর ২৪ ঘণ্টার মধ্যে আসামিকে আদালতে হাজির করা বাধ্যতামূলক। এরপর আদালতই পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেবেন।

তাজুল ইসলাম জানান, পরোয়ানার কপি ইতোমধ্যে সেনাবাহিনীসহ সংশ্লিষ্ট সব দপ্তরে পাঠানো হয়েছে। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল আইন অনুযায়ী, গুম ও হত্যার মতো অপরাধে সেনা কর্মকর্তাদের বিচারের এখতিয়ার এই আদালতেরই রয়েছে। এসব মামলায় আইন চ্যালেঞ্জ করার সুযোগ নেই বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

তাজুল ইসলাম
তাজুল ইসলাম

এর আগে, শনিবার (১১ অক্টোবর) ঢাকা সেনানিবাসে এক ব্রিফিংয়ে মেজর জেনারেল মো. হাকিমুজ্জামান জানান, ট্রাইব্যুনালের চার্জশিটে নাম থাকা ১৫ জন সেনা কর্মকর্তাকে হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। তবে সেনাবাহিনী দাবি করেছে, তারা গুমের কোনো পরোয়ানার কপি পায়নি।

তিনি আরও জানান, মোট ২৫ জনকে অভিযুক্ত করা হয়েছে—যার মধ্যে একজন অবসরপ্রাপ্ত (এলপিআর) এবং ১৫ জন সক্রিয় সার্ভিসে আছেন। তাদের ৯ অক্টোবরের মধ্যে সেনা সদরে উপস্থিত হওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল; মেজর জেনারেল কবীর আহম্মদ ছাড়া বাকি সবাই উপস্থিত হয়েছেন।

এদিকে চিফ প্রসিকিউটর তাজুল ইসলাম জানান, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে শেখ হাসিনাসহ তিনজনের বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় যুক্তিতর্ক উপস্থাপন চলাকালে ট্রাইব্যুনালের ফেসবুক পেজে সাইবার হামলার ঘটনা ঘটে। পরবর্তীতে তা উদ্ধার করা হয়েছে বলে তিনি জানিয়েছেন।