ঢাকা ০৮:৪২ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৬, ১১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

অবরোধের অবসান: অবশেষে মুক্ত উপদেষ্টা ও প্রেস সচিব

সিনিয়র প্রতিবেদক
  • সর্বশেষ আপডেট ০৮:২৪:৪৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ জুলাই ২০২৫
  • / 549

অবরোধের অবসান: অবশেষে মুক্ত উপদেষ্টা ও প্রেস সচিব

দীর্ঘ অবরুদ্ধ অবস্থার অবসান ঘটিয়ে অবশেষে মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে বের হয়েছেন আইন উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুল, শিক্ষা উপদেষ্টা সি আর আবরার, প্রেস সচিব শফিকুল আলম এবং এক সহকারী প্রেস সচিব।

মঙ্গলবার (২২ জুলাই) সন্ধ্যা ৭টা ৪০ মিনিটে তাঁরা কলেজ ভবন ত্যাগ করেন। বের হওয়ার সময় তাঁরা সাংবাদিকদের সঙ্গে কোনো কথা বলেননি, সোজা গাড়িতে উঠে ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন।

এর আগে দুপুর থেকে তারা ওই প্রতিষ্ঠানে অবরুদ্ধ অবস্থায় ছিলেন। বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে পুলিশ সদস্যরা কলেজে প্রবেশ করে নিরাপত্তা নিশ্চিত করে উপদেষ্টাদের বাইরে নিয়ে আসার চেষ্টা করে। কিন্তু দিয়াবাড়ি মোড়ে শিক্ষার্থীদের বাঁধার মুখে পড়ে তাঁরা আবারও কলেজে ফিরে যেতে বাধ্য হন।

উল্লেখ্য, সকালে শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের মধ্যে ঘটনাস্থলে আসেন উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুল ও সি আর আবরার। তাঁদের উপস্থিতি ঘিরে শিক্ষার্থীরা ক্ষোভ প্রকাশ করে “ভুয়া ভুয়া” স্লোগান দিতে শুরু করে।

আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা কলেজের সামনের সড়কে ব্যানার ও প্ল্যাকার্ড হাতে নিয়ে অবস্থান নেয়। তাদের স্লোগান ছিল— “বিচার চাই না, সন্তানের লাশ চাই”, “সঠিক লাশের হিসাব চাই”, “উই ওয়ান্ট জাস্টিস” ইত্যাদি। পরিস্থিতি সামাল দিতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও গোয়েন্দা সংস্থার সদস্যরা চেষ্টা করেও পরিবেশ পুরোপুরি শান্ত করতে পারেনি।

পরে উপদেষ্টা আসিফ নজরুল জানান, শিক্ষার্থীদের ৬ দফা দাবি সরকার মেনে নিয়েছে। তবে এই ঘোষণা দেওয়ার পরও উত্তেজনা প্রশমিত হয়নি, বরং পুলিশ ও শিক্ষার্থীদের মধ্যে ধস্তাধস্তির ঘটনা ঘটে।

এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে উত্তরার দিয়াবাড়ি এলাকা। আন্দোলনের মধ্যে দিনভর অবরুদ্ধ ছিলেন সরকারের গুরুত্বপূর্ণ কয়েকজন প্রতিনিধি, যা জনমনে উদ্বেগের সৃষ্টি করে।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

অবরোধের অবসান: অবশেষে মুক্ত উপদেষ্টা ও প্রেস সচিব

সর্বশেষ আপডেট ০৮:২৪:৪৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ জুলাই ২০২৫

দীর্ঘ অবরুদ্ধ অবস্থার অবসান ঘটিয়ে অবশেষে মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে বের হয়েছেন আইন উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুল, শিক্ষা উপদেষ্টা সি আর আবরার, প্রেস সচিব শফিকুল আলম এবং এক সহকারী প্রেস সচিব।

মঙ্গলবার (২২ জুলাই) সন্ধ্যা ৭টা ৪০ মিনিটে তাঁরা কলেজ ভবন ত্যাগ করেন। বের হওয়ার সময় তাঁরা সাংবাদিকদের সঙ্গে কোনো কথা বলেননি, সোজা গাড়িতে উঠে ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন।

এর আগে দুপুর থেকে তারা ওই প্রতিষ্ঠানে অবরুদ্ধ অবস্থায় ছিলেন। বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে পুলিশ সদস্যরা কলেজে প্রবেশ করে নিরাপত্তা নিশ্চিত করে উপদেষ্টাদের বাইরে নিয়ে আসার চেষ্টা করে। কিন্তু দিয়াবাড়ি মোড়ে শিক্ষার্থীদের বাঁধার মুখে পড়ে তাঁরা আবারও কলেজে ফিরে যেতে বাধ্য হন।

উল্লেখ্য, সকালে শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের মধ্যে ঘটনাস্থলে আসেন উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুল ও সি আর আবরার। তাঁদের উপস্থিতি ঘিরে শিক্ষার্থীরা ক্ষোভ প্রকাশ করে “ভুয়া ভুয়া” স্লোগান দিতে শুরু করে।

আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা কলেজের সামনের সড়কে ব্যানার ও প্ল্যাকার্ড হাতে নিয়ে অবস্থান নেয়। তাদের স্লোগান ছিল— “বিচার চাই না, সন্তানের লাশ চাই”, “সঠিক লাশের হিসাব চাই”, “উই ওয়ান্ট জাস্টিস” ইত্যাদি। পরিস্থিতি সামাল দিতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও গোয়েন্দা সংস্থার সদস্যরা চেষ্টা করেও পরিবেশ পুরোপুরি শান্ত করতে পারেনি।

পরে উপদেষ্টা আসিফ নজরুল জানান, শিক্ষার্থীদের ৬ দফা দাবি সরকার মেনে নিয়েছে। তবে এই ঘোষণা দেওয়ার পরও উত্তেজনা প্রশমিত হয়নি, বরং পুলিশ ও শিক্ষার্থীদের মধ্যে ধস্তাধস্তির ঘটনা ঘটে।

এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে উত্তরার দিয়াবাড়ি এলাকা। আন্দোলনের মধ্যে দিনভর অবরুদ্ধ ছিলেন সরকারের গুরুত্বপূর্ণ কয়েকজন প্রতিনিধি, যা জনমনে উদ্বেগের সৃষ্টি করে।