ঢাকা ০৫:০৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২৬, ১১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

অন্যায়ের প্রতিবাদ করলে কি দেশ ছাড়তে হবে : রনি

নিউজ ডেস্ক
  • সর্বশেষ আপডেট ০৩:৪৮:৫১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৫ অগাস্ট ২০২৫
  • / 163

গোলাম মাওলা রনি

রাজনীতিতে অন্যায়ের প্রতিবাদ করলে কি দেশ ছাড়তে হবে; এমন প্রশ্ন তুলেছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষক ও সাবেক সংসদ সদস্য গোলাম মাওলা রনি। তিনি বলেন, স্বাধীনতার পর শেখ হাসিনা ১৯৮৬ সাল থেকে এ পর্যন্ত অন্তত সাড়ে তিন হাজার সংসদ সদস্যকে মনোনয়ন দিয়েছেন। সবাই গোলাম মাওলা রনি হতে পারেনি। গোলাম মাওলা রনিকে যদি সাড়ে তিন হাজার লোকের সঙ্গে সমান করে দেখা হয়, তাহলে সেটা ভুল হবে।

সম্প্রতি এক টেলিভিশন টকশোতে এসে তিনি এসব কথা বলেন।

গোলাম মাওলা রনি বলেন, “আমি দলীয় কর্মকাণ্ড এবং আদর্শে বিশ্বাসী ছিলাম, কৃতজ্ঞও ছিলাম। কিন্তু শেয়ারবাজারে যে চুরি হয়েছে, রাহাজানি হয়েছে, ইলিয়াস আলী গুম হয়েছেন; সেগুলো আমি মেনে নিতে পারিনি। আমি কেন চুপ থাকব? কাদের মোল্লাকে অন্যায়ভাবে ফাঁসি দেওয়া হয়েছিল—আমি সঙ্গে সঙ্গে বলেছিলাম, এই কাদের মোল্লা সেই কাদের মোল্লা নয়।”

“যেদিন ফাঁসি দেওয়া হলো, সেদিনই আমি সংসদ সদস্য হিসেবে এই বক্তব্য দিয়েছিলাম। এ জন্য আমাকে সমালোচিতও হতে হয়েছে।”

রনি বলেন, “এক সময় দেখলাম, সেখানে থাকতে থাকতে পুরো পরিবেশটাই অসহনীয় গরম হয়ে উঠেছে। তখন মনে হলো, অনাকাঙ্ক্ষিত কোনো জায়গায় অসুখী হয়ে পড়ে থাকার চেয়ে বরং ভিন্ন একটি প্ল্যাটফর্মে চলে যাওয়াটাই বুদ্ধিমানের কাজ। আমি এখন একটি ভিন্ন জায়গায় অবস্থান করছি। এর মানে এই নয় যে, আওয়ামী লীগে আমার রাজনীতির সূচনা বা আমার আজকের অবস্থানে আসার পেছনে যে প্ল্যাটফর্ম তৈরি হয়েছিল, তার প্রতি আমি অকৃতজ্ঞ। কখনোই না।”

তিনি আরও বলেন, “তবে তারা যেসব কুকর্ম করেছে, সেগুলো চিহ্নিত করা, প্রতিবাদ করা একজন নাগরিক হিসেবে আমার দায়িত্ব ও কর্তব্য। যাতে ভবিষ্যতে যারা ক্ষমতায় আসবে, তারা যেন আওয়ামী লীগের মতো ভুল না করে। আমরা সমাজকে বিভিন্ন দৃষ্টিকোণ থেকে দেখেছি, সে অনুযায়ী মনে হয়েছে; প্রতিবাদ করাটাও আমাদের জন্য ফরজ, আবার কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করাটাও ফরজ।”

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

অন্যায়ের প্রতিবাদ করলে কি দেশ ছাড়তে হবে : রনি

সর্বশেষ আপডেট ০৩:৪৮:৫১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৫ অগাস্ট ২০২৫

রাজনীতিতে অন্যায়ের প্রতিবাদ করলে কি দেশ ছাড়তে হবে; এমন প্রশ্ন তুলেছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষক ও সাবেক সংসদ সদস্য গোলাম মাওলা রনি। তিনি বলেন, স্বাধীনতার পর শেখ হাসিনা ১৯৮৬ সাল থেকে এ পর্যন্ত অন্তত সাড়ে তিন হাজার সংসদ সদস্যকে মনোনয়ন দিয়েছেন। সবাই গোলাম মাওলা রনি হতে পারেনি। গোলাম মাওলা রনিকে যদি সাড়ে তিন হাজার লোকের সঙ্গে সমান করে দেখা হয়, তাহলে সেটা ভুল হবে।

সম্প্রতি এক টেলিভিশন টকশোতে এসে তিনি এসব কথা বলেন।

গোলাম মাওলা রনি বলেন, “আমি দলীয় কর্মকাণ্ড এবং আদর্শে বিশ্বাসী ছিলাম, কৃতজ্ঞও ছিলাম। কিন্তু শেয়ারবাজারে যে চুরি হয়েছে, রাহাজানি হয়েছে, ইলিয়াস আলী গুম হয়েছেন; সেগুলো আমি মেনে নিতে পারিনি। আমি কেন চুপ থাকব? কাদের মোল্লাকে অন্যায়ভাবে ফাঁসি দেওয়া হয়েছিল—আমি সঙ্গে সঙ্গে বলেছিলাম, এই কাদের মোল্লা সেই কাদের মোল্লা নয়।”

“যেদিন ফাঁসি দেওয়া হলো, সেদিনই আমি সংসদ সদস্য হিসেবে এই বক্তব্য দিয়েছিলাম। এ জন্য আমাকে সমালোচিতও হতে হয়েছে।”

রনি বলেন, “এক সময় দেখলাম, সেখানে থাকতে থাকতে পুরো পরিবেশটাই অসহনীয় গরম হয়ে উঠেছে। তখন মনে হলো, অনাকাঙ্ক্ষিত কোনো জায়গায় অসুখী হয়ে পড়ে থাকার চেয়ে বরং ভিন্ন একটি প্ল্যাটফর্মে চলে যাওয়াটাই বুদ্ধিমানের কাজ। আমি এখন একটি ভিন্ন জায়গায় অবস্থান করছি। এর মানে এই নয় যে, আওয়ামী লীগে আমার রাজনীতির সূচনা বা আমার আজকের অবস্থানে আসার পেছনে যে প্ল্যাটফর্ম তৈরি হয়েছিল, তার প্রতি আমি অকৃতজ্ঞ। কখনোই না।”

তিনি আরও বলেন, “তবে তারা যেসব কুকর্ম করেছে, সেগুলো চিহ্নিত করা, প্রতিবাদ করা একজন নাগরিক হিসেবে আমার দায়িত্ব ও কর্তব্য। যাতে ভবিষ্যতে যারা ক্ষমতায় আসবে, তারা যেন আওয়ামী লীগের মতো ভুল না করে। আমরা সমাজকে বিভিন্ন দৃষ্টিকোণ থেকে দেখেছি, সে অনুযায়ী মনে হয়েছে; প্রতিবাদ করাটাও আমাদের জন্য ফরজ, আবার কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করাটাও ফরজ।”