শিরোনাম
অধ্যাপক কার্জনের ৫ কোটি টাকার ক্ষতিপূরণ দাবি
নিজস্ব প্রতিবেদক
- সর্বশেষ আপডেট ০৫:১১:২৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৯ অগাস্ট ২০২৫
- / 92
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. শেখ হাফিজুর রহমান কার্জন আদালতে দাঁড়িয়ে রাষ্ট্রের কাছে পাঁচ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ দাবি করেছেন। তার অভিযোগ, আটক অবস্থায় তাকে নানাভাবে ভোগান্তির শিকার হতে হয়েছে এবং সংবিধান অনুযায়ী প্রাপ্য অধিকার থেকে বঞ্চিত করা হয়েছে।
শুক্রবার (২৯ আগস্ট) শাহবাগ থানার সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় আদালতে হাজির করা হলে তিনি এ দাবি তোলেন। এ সময় তদন্ত কর্মকর্তা শাহবাগ থানার উপপরিদর্শক তৌফিক হাসান আসামিদের কারাগারে রাখার আবেদন জানান। শুনানিতে রাষ্ট্রপক্ষ থেকেও আটক রাখার জোর দাবি করা হয়।
কাঠগড়ায় দাঁড়িয়ে অধ্যাপক কার্জন বিচারকের উদ্দেশে বলেন, “মাননীয় আদালত, আমাদের সঙ্গে মানবাধিকার লঙ্ঘন করা হয়েছে। সংবিধানের ৩৩ অনুচ্ছেদে যে সুবিধা পাওয়ার কথা, তা দেওয়া হয়নি। আইনজীবী নিয়োগের সুযোগ পাইনি। থানায় বা কারাগারে ফ্যান কিংবা সাবান ছিল না। সারা রাত ঘুমাতে পারিনি। আমরা আসলে ভিকটিম, অথচ আমাদেরকেই আসামি করা হয়েছে।”
তিনি আরও বলেন, “যেভাবে হেনস্তা করা হয়েছে তার প্রতিকার চাই। এজন্য আমি পাঁচ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ চাই এবং জামিন চাই।” এ সময় তিনি সংবিধানের একটি বই হাতে তুলে ধরে বিচারককে দেখান।
কার্জন জানান, মুক্তিযুদ্ধ ও সংবিধান নিয়ে একটি আলোচনায় অংশ নিতে তিনি ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে গিয়েছিলেন। সেখানে সন্ত্রাসীরা তাদের ওপর হামলা চালিয়ে তুলে দেয়। অথচ হামলাকারীদের না ধরে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।
শুনানি শেষে ঢাকা মহানগর হাকিম সারাহ ফারজানা হক অধ্যাপক কার্জনসহ ১৬ জনকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। তাদের মধ্যে সাবেক মন্ত্রী আবদুল লতিফ সিদ্দিকীও রয়েছেন।
আদালত থেকে বের হওয়ার সময় অধ্যাপক কার্জন সংবিধানের বই উঁচিয়ে ধরে বলেন, “এই সংবিধান ৩০ লাখ শহীদের রক্তের বিনিময়ে অর্জিত, এটাকে রক্ষা করতে হবে।”
































