ঢাকা ০৬:৩৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৬ জানুয়ারী ২০২৬, ১৩ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

অতিরিক্ত ভাড়া ও সড়কে নৈরাজ্যের প্রতিবাদে লক্ষ্মীপুরে মানববন্ধন

নিজস্ব প্রতিবেদক, লক্ষ্মীপুর
  • সর্বশেষ আপডেট ০৬:৩৬:৪০ অপরাহ্ন, বুধবার, ৪ জুন ২০২৫
  • / 243

অতিরিক্ত ভাড়া ও সড়কে নৈরাজ্যের প্রতিবাদে লক্ষ্মীপুরে মানববন্ধন

ঈদ এলেই যাত্রীদের ভোগান্তি যেন নিয়মে পরিণত হয়—বিশেষ করে অতিরিক্ত ভাড়া আদায় ও পরিবহন নৈরাজ্যের মাধ্যমে। এসব অনিয়ম বন্ধে কার্যকর উদ্যোগ না থাকায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন ভোক্তা অধিকারকর্মীরা। এই বাস্তবতায় লক্ষ্মীপুরে মানববন্ধন করেছে কনশাস কনজ্যুমার্স সোসাইটি (সিসিএস)।

বুধবার সকালে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে সংগঠনের জেলা কমিটির ব্যানারে এই কর্মসূচি পালন করা হয়। পরে চার দফা দাবি তুলে ধরে জেলা প্রশাসনের কাছে স্মারকলিপি দেওয়া হয়।

সংগঠনের সভাপতি আবুল হাসান সোহেলের সভাপতিত্বে মানববন্ধনে বক্তব্য দেন এনামুল হক খান নাবিল, আব্দুল মালেক নিরব, শাহিন আলম ও বায়েজিদ হোসাইনসহ আরও অনেকে।

বক্তারা বলেন, ঈদ বা যেকোনো ছুটিতে অতিরিক্ত ভাড়া আদায় যেন রুটিনে পরিণত হয়েছে। এসব বন্ধে জেলার অভ্যন্তরীণ রুটগুলোতে নিয়মিত ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা এবং দায়ীদের বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তির দাবি জানান তারা। পাশাপাশি বাস ও সিএনজির আগের ভাড়া পুনর্বহালেরও দাবি জানানো হয়।

তাদের মতে, যাত্রী হয়রানি ও পরিবহন খাতে নৈরাজ্য বন্ধে শক্ত ভূমিকা না নিলে এই চক্র আরও বেপরোয়া হয়ে উঠবে। জনস্বার্থে সরকার ও প্রশাসনের এখনই জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা প্রয়োজন।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

অতিরিক্ত ভাড়া ও সড়কে নৈরাজ্যের প্রতিবাদে লক্ষ্মীপুরে মানববন্ধন

সর্বশেষ আপডেট ০৬:৩৬:৪০ অপরাহ্ন, বুধবার, ৪ জুন ২০২৫

ঈদ এলেই যাত্রীদের ভোগান্তি যেন নিয়মে পরিণত হয়—বিশেষ করে অতিরিক্ত ভাড়া আদায় ও পরিবহন নৈরাজ্যের মাধ্যমে। এসব অনিয়ম বন্ধে কার্যকর উদ্যোগ না থাকায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন ভোক্তা অধিকারকর্মীরা। এই বাস্তবতায় লক্ষ্মীপুরে মানববন্ধন করেছে কনশাস কনজ্যুমার্স সোসাইটি (সিসিএস)।

বুধবার সকালে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে সংগঠনের জেলা কমিটির ব্যানারে এই কর্মসূচি পালন করা হয়। পরে চার দফা দাবি তুলে ধরে জেলা প্রশাসনের কাছে স্মারকলিপি দেওয়া হয়।

সংগঠনের সভাপতি আবুল হাসান সোহেলের সভাপতিত্বে মানববন্ধনে বক্তব্য দেন এনামুল হক খান নাবিল, আব্দুল মালেক নিরব, শাহিন আলম ও বায়েজিদ হোসাইনসহ আরও অনেকে।

বক্তারা বলেন, ঈদ বা যেকোনো ছুটিতে অতিরিক্ত ভাড়া আদায় যেন রুটিনে পরিণত হয়েছে। এসব বন্ধে জেলার অভ্যন্তরীণ রুটগুলোতে নিয়মিত ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা এবং দায়ীদের বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তির দাবি জানান তারা। পাশাপাশি বাস ও সিএনজির আগের ভাড়া পুনর্বহালেরও দাবি জানানো হয়।

তাদের মতে, যাত্রী হয়রানি ও পরিবহন খাতে নৈরাজ্য বন্ধে শক্ত ভূমিকা না নিলে এই চক্র আরও বেপরোয়া হয়ে উঠবে। জনস্বার্থে সরকার ও প্রশাসনের এখনই জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা প্রয়োজন।